দেখাটা অনেকদিন পর। পুরনো শিষ্যের সঙ্গে হচ্ছে গুরুর সাক্ষাৎ। বার্সেলোনা-টটেনহামের চ্যাম্পিয়নস লিগ দ্বৈরথের মাঝে তাই ‘অন্য’ লড়াইয়ের ঝঙ্কারও বেজে উঠছে। দুই কোচ এরনেস্তো ভালভারদে ও মাউরিচিও পোচেত্তিনোর ‘পুনর্মিলন’ সবসময় যে সবসময় সুখের নয়!
ভালভারদে এখন বার্সেলোনার কোচ, আর পোচেত্তিনো টটেনহামের দায়িত্বে। দল দুটি বুধবার রাতে মুখোমুখি হচ্ছে ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামের। এই ম্যাচ দিয়ে পুরনো অনেক স্মৃতি চলে আসছে সামনে। ইউরোপিয়ান ফুটবলের অন্যতম সেরা দুই কোচ ক্যারিয়ারের একটা সময়ে ছিলেন গুরু-শিষ্য। এস্পানিওলের কোচ হওয়ার সময় ভালভারদে খেলোয়াড় হিসেবে পেয়েছিলেন পোচেত্তিনোকে।
যদিও ২০০৬ সালের সেই সময়টা মোটেও সুখের ছিল না পোচেত্তিনোর জন্য। তখন কোচ হিসেবে কাতালান ক্লাবটির দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ভালভারদে ক্লাব কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দেন, তার পরিকল্পনায় নেই পোচেত্তিনো। অথচ এই আর্জেন্টাইন তখন দলটির অধিনায়ক! তার হতাশ হওয়াটাই ছিল স্বাভাবিক।
পোচেত্তিনো তার বই ‘আ নিউ ওয়ার্ল্ড’-এ এস্পানিওল ছেড়ে যাওয়ার কাহিনি বর্ণনা করেছেন। যেখানে স্পষ্টই লিখেছেন, ‘ভালভারদে এস্পানিওলে আসার পর সিদ্ধান্ত নেন, তিনি আমাকে দলে চান না। কারণ আমিই ছিলাম একমাত্র মানুষ, যে ড্রেসিংরুম নিয়ন্ত্রণ করতো। এটা মেনে নেওয়া আমার জন্য কঠিন ছিল, তবে ওই সময় বিষয়টা আমি বুঝতে পেরেছিলাম।’
ওই ২০০৬ সালের খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টেনে দেন পোচেত্তিনো। ভালভারদের এস্পানিওলের কোচ হওয়া এবং আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারের বুট তুলে রাখাটা একই সময়ে। তাই তাদের মধ্যে আলাদা একটা সম্পর্কের জায়গায় তৈরি হয়ে যায়, যে সম্পর্কটা পোচেত্তিনোর কাছে মোটেও ‘খারাপ’ নয়।
যদিও কোচ হিসেবে দুজন মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যাওয়ার সময় নিজেদের মধ্যে আলাদা একটি দ্বৈরথ ঠিকই কাজ করবে। বার্সেলোনা-টটেনহামের ম্যাচে ডাগ আউটের লড়াইটাও তাই ছড়াবে অন্যরকম উত্তেজনা। মার্কা








