এবারের ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকায় ছিলেন ফ্রান্সের ছয় খেলোয়াড়। বিশ্বকাপের বছরে শিরোপা জয়ী দলের সদস্যদের প্রত্যাশাই থাকে বেশি। যদিও ফরাসি খেলোয়াড়ের ‘সোনার বল’ জেতার স্বপ্ন পূরণ হয়নি। তাতে কিছুটা হতাশা থাকলেও দলটির ফরোয়ার্ড আন্তোয়ান গ্রিয়েজমান ব্যক্তিগত পুরস্কারের চেয়ে বিশ্বকাপকেই ওপরে রাখছেন।
লিওনেল মেসি ও ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর আধিপত্য ভেঙে ১০ বছর পর প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ব্যালন ডি’অর হাতে তুলেছেন লুকা মদরিচ। যেখানে রোনালদো হয়েছেন দ্বিতীয়, আর তৃতীয় হয়েছেন গ্রিয়েজমান। বিশ্বকাপ জিতেও পুরস্কারটি পাওয়া হয়নি এই ফরোয়ার্ডের। জাতীয় দলের জার্সিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আগে তিনি অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের হয়ে জিতেছিলেন ইউরোপা লিগ। দুটো শিরোপা জেতার পথে গ্রিয়েজমান নেতৃত্ব দিয়েছেন সামনে থেকে।
এরপরও সোমবার প্যারিসের গালা নাইটে ব্যালন ডি’অর জিতে নেন মদরিচ, যার দল ক্রোয়েশিয়া কিনা গ্রিয়েজমানের ফ্রান্সের বিপক্ষেই হেরেছে রাশিয়া বিশ্বকাপে ফাইনালে। ‘ফ্রান্স ফুটবল’-এর দেওয়া পুরস্কারটি না পাওয়ার আক্ষেপ কিছুটা হলেও আছে তার, ‘২০১৮ সালে আমার নিজের বছর নিয়ে আমি খুশি। ইউরোপা লিগ জিতেছি, সুপার কাপ জিতেছি এবং বিশ্বকাপ, সব মিলিয়ে দারুণ এক বছর। কিছুটা হতাশা তো আছেই (ব্যালন ডি’অর জিততে না পেরে), যদিও আমি এখানে এসেছি বিজয়ীদের সঙ্গে উদযাপন করতে।’
এবার না হোক, সামনে ব্যালন ডি’অর জয়ের সম্ভাবনা দেখছেন গ্রিয়েজমান, ‘যদি আমি এভাবে কাজ করতে থাকি, তাহলে কেন নয়? আমি সঠিক পথেই আছি, এবার দুই ধাপ এগিয়েছি (গতবারের তুলনায়)।’ তাহলে ব্যালন ডি’অর নাকি বিশ্বকাপ- কোনটা ওপরে রাখবেন- এক সাংবাদিকের করা প্রশ্ন শেষ হওয়ার আগেই অ্যাতলেতিকো ফরোয়ার্ডের উত্তর, ‘বিশ্বকাপ’। গোল ডটকম








