আগের ম্যাচে আতালান্তার বিপক্ষে গোল করে জুভেন্টাসকে রক্ষা করেছিলেন ‘সুপার সাব’ ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। শনিবার সাম্পদোরিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে সিরি ‘এ’ চ্যাম্পিয়নদের জেতালেন তিনি। অবশ্য জুভেন্টাসের ২-১ গোলের জয়ে ভূমিকা রেখেছে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারিও!
১৯ ম্যাচে ১৭ জয় ও ২ ড্রয়ে ৫৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থেকে বছর শেষ করছে জুভেন্টাস। ২০ দলের সিরি ‘এ’ শুরু হওয়ার পর প্রথম ১৯ ম্যাচ শেষে এটি রেকর্ড পয়েন্ট। আর এই বছর লিগে জুভেন্টাসের অর্জন ১০১ পয়েন্ট। এতে ১৯৪৮ সালে তুরিনোর গড়া রেকর্ড স্পর্শ করল তারা। এই মৌসুমে তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নাপোলি (৪১) এক ম্যাচ কম খেলে পিছিয়ে ১২ পয়েন্টে।
শনিবার অ্যালিয়েঞ্জ অ্যারেনায় বাঁশি বাজার ঠিক আগে দুঃসংবাদ শুনতে হয় জুভেন্টাসকে। নিয়মিত গোলরক্ষক উজচেক শেসনি ঘাম ঝরানোর সময় চোট পেয়ে ছিটকে যান। তাতে অভিষেক হয় গোলরক্ষক মাত্তিয়া পেরিনের। ম্যাচে কয়েকবার কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়েছে এই ২৬ বছর বয়সী গোলরক্ষককে। অবশ্য শুরুতেই দল এগিয়ে যাওয়ায় স্বস্তি ছিল তার মনে।
একাদশে ফিরে মাত্র ২ মিনিটে জুভেন্টাসের গোলমুখ খোলেন রোনালদো। ডানপ্রান্ত থেকে পাউলো দিবালার বাড়িয়ে দেওয়া বলে প্রথম শটে লক্ষ্যভেদ করেন পর্তুগিজ স্ট্রাইকার। ২৪ মিনিটে দিবালার শট খুঁজে পায়নি ঠিকানা।
এর ৬ মিনিট পর সাম্পদোরিয়া গোলের সুযোগ পেয়ে যায়। ৩০ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে আলবিন একদালের হেড গোললাইনে দাঁড়িয়ে রুখে দেন অ্যালেক্স সান্দ্রো। কিন্তু ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির ব্যবহারে দেখা যায়, বল একদালের কাছে যাওয়ার আগে বক্সের মধ্যে এমরে ক্যানের হাতে লাগে।
রেফারির দেওয়া পেনাল্টির সিদ্ধান্তে ৩৩ মিনিটে অতিথিদের সমতা ফেরানোর দায়িত্ব নেন ফ্যাবিও কুয়াগলিয়ারেয়া। অনভিজ্ঞ পেরিন তার শট ঠেকাতে পারেননি। তাতে ২০০৫ সালে দাভিদ ত্রেজেগুয়েতের পর প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা ৯ সিরি ‘এ’ ম্যাচে গোলের কীর্তি গড়েন কুয়াগলিয়ারেয়া।
১-১ গোলে সমতায় থেকে বিরতিতে যায় দুই দল। দ্বিতীয়ার্ধে পেরিনকে বেশ ব্যস্ত রেখেছিল সাম্পদোরিয়ার আক্রমণভাগ। কিন্তু সফল হয়নি তারা। বরং ম্যাচে দ্বিতীয়বার ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির সিদ্ধান্ত যায় জুভেন্টাসের পক্ষে, তাতে স্বস্তি ফেরে জুভেন্টাসের গ্যালারিতে। অতিথিদের বক্সে জিয়ান মার্কো ফেরারির হাতে বল লাগলে প্রযুক্তির ব্যবহারে পেনাল্টির নির্দেশ দেন রেফারি। ৬৫ মিনিটের ওই স্পট কিক থেকে এই লিগ মৌসুমে নিজের ১৪তম গোল করেন রোনালদো। এটি ছিল এই বছরে জুভেন্টাসের শততম গোল।
শেষ সময়ে পেরিনের ভুলে জয়বঞ্চিত হতে বসেছিল জুভেন্টাস। ইনজুরি সময়ে তার দুর্বল গোল কিকে বল পেয়ে লক্ষ্যভেদ করেন রিকার্দো সাপোনারা। এক পয়েন্ট উদ্ধারের উল্লাস কিছুক্ষণ পরে থেমে যায় সাম্পদোরিয়ার। ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি ব্যবহার করে অফসাইডে গোল বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়। ইএসপিএনএফসি, গোল ডটকম








