ন্যু ক্যাম্পে পা রাখবেন জুলাইয়ে। তবে তার আগেই মনেপ্রাণে বার্সেলোনার খেলোয়াড় হয়ে গেছেন ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং। রিয়াল মাদ্রিদকে উড়িয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে বিদায় করে দেওয়া আয়াক্সের অন্যতম প্রধান চরিত্র এই মিডফিল্ডারের আনন্দ তাই দ্বিগুণ। ভবিষ্যৎ ক্লাবের ‘অনুরোধ’ যে রাখতে পেরেছেন!
বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে? ডি ইয়ংয়ের সঙ্গে বার্সেলোনা যখন চুক্তি করে, তখন চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর ড্র ভাগ্য আয়াক্সের সামনে ফেলেছিল রিয়ালকে। চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর হয়ে গেলে বার্সেলোনা কর্তৃপক্ষ আয়াক্সের এই মিডফিল্ডারকে অনুরোধ করেছিল, তারা যেন বিদায় করে দেয় মাদ্রিদের ক্লাবকে। চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে রিয়ালকে ছিটকে দেওয়ার পর বিষয়টি জানিয়েছেন ডি ইয়ং নিজেই।
গত জানুয়ারিতে বার্সেলোনার সঙ্গে পাঁচ বছরের চুক্তি করেছেন ডি ইয়ং। সামনের মৌসুম থেকে তিনি খেলবেন ন্যু ক্যাম্পে। যদিও বার্সেলোনার জার্সি গায়ে জড়ানোর আগেই রিয়ালের ওপর কামড় বসালেন তিনি। ঘরের মাঠে আয়াক্স ২-১ গোলে হেরে যাওয়ায় তাদের বিদায়ঘণ্টাই শুনতে পেয়েছিল ফুটবল বিশ্ব। তবে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ঘুরে দাঁড়ানোর নতুন নজির স্থাপন করে রিয়ালকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে বিদায় করে দিয়েছে চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে।
আয়ক্সের জার্সিতে খেললেও রিয়ালকে বিদায় করার বার্তা বার্সেলোনা থেকে আগেই পেয়েছিলেন ডি ইয়ং। আনন্দের সাগরে ভেসে চলা ২১ বছর বয়সী তারকা ডাচ সংবাদমাধ্যম ‘ডি টেলিগ্রাফ’কে জানিয়েছেন তেমনটাই, ‘বার্সেলোনা যখন আমার সঙ্গে চুক্তিতে সই করে, তখন তারা আমাকে রিয়াল মাদ্রিদকে বিদায় করে দিতে বলেছিলো।’
লক্ষ্যে স্থির থাকাকেই সাফল্যের ভিত হিসেবে দেখেছেন ডি ইয়ং, ‘আমরা আক্রমণাত্মক খেলেছি, তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করে নিজেদের ফুটবলটা খেলেছি। সবাই যদি নিজেদের সেরাটা দেয়, তাহলে রিয়ালকে চমকে দেওয়ার ক্ষমতা আমাদের আছে- এই বিশ্বাসের সঙ্গে এটাও জানতাম, রিয়ালকে ছিটকে দিতে পারলে আয়াক্সের নাম লেখা থাকবে ইতিহাসে।’
এর আগেও ডাচ দলটি রিয়ালকে হারিয়েছিল, ১৯৯৫ সালে। তখন অবশ্য ইউরোপের অন্যতম শক্তিধর দল হিসেবে পরিচিতি ছিল তাদের। ‘আমি খেলাটি পুরো দেখিনি’- ১৯৯৭ সালে জন্ম নেওয়া ডি ইয়ংয়ের দেখার কথাও নয়, তবে একই সঙ্গে তার স্বীকারোক্তি, ‘ইন্টারনেটে হাইলাইটস দেখছি।’ এবারের কীর্তিকে এগিয়ে রাখার চেষ্টাই করলেন ডাচ তরুণ, ‘আবারও এটা ঘটল। আমরা আশা করলেও এবারের আয়াক্সের কাছ থেকে এমনটা কেউ প্রত্যাশা করেনি।’
ঘরের মাঠে ২-১ গোলে হেরে বসা তরুণ একটি দলের হারের পর প্রত্যাশার পারদ তলানিতে ঠেকাই স্বাভাবিক। তবে প্রত্যাবর্তনের নতুন ইতিহাস গড়ে টানা তিনবারের চ্যাম্পিয়নদের বিদায় করে ফুটবল বিশ্বে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন আমস্টারডামের ক্লাবটি। মার্কা







