ইউরোপের পাঁচ শীর্ষ ঘরোয়া ফুটবলের মধ্যে শিরোপার জন্য হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে কেবল ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে। ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ফুটবল যে কতটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ তার প্রমাণ মিললো ইউরোপিয়ান মঞ্চেও। এবারের দুটি ইউরোপিয়ান ফাইনালেই জায়গা করে নিয়েছে চার ইংলিশ ক্লাব। শুধু এক দেশ থেকেই ফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার ঘটনা ইউরোপের ফুটবল ইতিহাসে এবারই প্রথম।
গত বৃহস্পতিবার আইন্ত্রাখত ফ্রাঙ্কফুর্টকে বিদায় করেছে চেলসি। টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে জিতে ইউরোপা লিগের ফাইনালে উঠেছে তারা। আর ভ্যালেন্সিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে তাদের বিপক্ষে লড়াই নিশ্চিত করেছে আর্সেনাল। তাদের আগে নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ইংল্যান্ডের লিভারপুল আর টটেনহাম হটস্পার।
এতে করে ইউরোপের দুটি প্রতিযোগিতার ফাইনালে প্রথমবার এক দেশ থেকে চার ক্লাবের লড়াই চূড়ান্ত হয়েছে। এর আগে অল-ইংলিশ ফাইনাল হয়েছে কেবল দুইবার। ১৯৭২ সালে উয়েফা কাপে উলভসকে হারায় টটেনহাম। আর ২০০৮ সালে চেলসিকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ চ্যাম্পিয়ন হয় ম্যানইউ।
২০১৬ সালে ইউরোপের দুই প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠেছিল স্পেনের তিনটি দল। চ্যাম্পিয়নস লিগ ট্রফির জন্য মুখোমুখি হয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ ও অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ, আর ইউরোপা লিগ ফাইনাল খেলেছিল সেভিয়া। এবার তাদের ছাপিয়ে গেলো ইংল্যান্ডের চার ক্লাব।
এমনকি এবারের উয়েফা সুপার কাপও হবে অল ইংলিশ, আগস্টে ইস্তাম্বুলে মুখোমুখি হবে চ্যাম্পিয়নস লিগ ও ইউরোপা লিগের বিজয়ীরা। চেলসি ও আর্সেনালের মধ্যে দূরত্ব সর্বোচ্চ ৬ মাইলের, কিন্তু ফাইনাল খেলতে ২,৪৬৯ মাইল পাড়ি দিবে তারা। আগামী ২৯ মে আজারবাইজানের বাকুতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াইয়ে নামবে দুই দল। এর দুই দিন পর ১ জুন মাদ্রিদের ওয়ান্দা মেত্রোপোলিতানোতে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল খেলবে লিভারপুল ও টটেনহাম। গোল ডটকম, বিবিসি








