এক ম্যাচ পর ফিরে গোল পেলেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। স্পালের বিপক্ষে অ্যালিয়েঞ্জ স্টেডিয়ামে জুভেন্টাস জিতলো ২-০ গোলে। এই জয়ে ইন্টার মিলানকে টপকে অন্তত কয়েক ঘণ্টার জন্য সিরি ‘এ’র শীর্ষে উঠেছিল তারা। তবে পরের ম্যাচে সাম্পদোরিয়াকে ৩-১ গোলে হারিয়ে আবার এক নম্বরে উঠে গেছে ইন্টার।
৬ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট ইতালির চ্যাম্পিয়ন জুভেন্টাসের। এই মৌসুমে শতভাগ সাফল্য ধরে রেখে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে ইন্টার।
স্পালের বিপক্ষে একের পর এক আক্রমণের পসরা সাজায় জুভেন্টাস। কিন্তু তুরিন ক্লাবকে হতাশ করেন অতিথি গোলকিপার এত্রিত বেরিশা। পাউলো দিবালা ও সামি খেদিরার চেষ্টা ব্যর্থ করে প্রথমার্ধে গোলপোস্ট অক্ষত রাখার সম্ভাবনা জাগান তিনি। অবশ্য পারেননি। বিরতির ঠিক আগে খেদিরার দারুণ অ্যাসিস্টে মিরালেম পিজানিচ বক্সের বাইরে থেকে উঁচু শটে বেরিশাকে পরাস্ত করেন।
দ্বিতীয়ার্ধেও দিবালা ও খেদিরাকে হতাশ করেন স্পাল গোলকিপার। শেষ পর্যন্ত আরও একটি গোলের দেখা পায় জুভেন্টাস। নিজে লক্ষ্যভেদ করতে না পারলেও দ্বিতীয় গোল বানিয়ে দেন দিবালা। ৭৮ মিনিটে বাঁ প্রান্তে বক্সের বাইরে থেকে তিনি চমৎকার ক্রস দেন গোলপোস্টের কাছে। রোনালদো একটু লাফিয়ে নিচু হেড করেন, বেরিশা বল রুখতে পারেননি। তাতে জুভেন্টাসের টানা তৃতীয় জয় নিশ্চিত হয়। এটি ছিল পর্তুগিজ ফরোয়ার্ডের তৃতীয় গোল।
সাম্পদোরিয়ার মাঠে ২২ মিনিটের মধ্যে দুটি গোল করে ইন্টার। স্টেফানো সেনসি ২০ মিনিটে গোলমুখ খোলেন। দুই মিনিট পর অ্যালেক্সিস সানচেস ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। বিরতির পর এই চিলিয়ান ফরোয়ার্ড লাল কার্ড দেখলে শেষ অর্ধ ১০ জন নিয়ে খেলতে হয়েছে ইন্টারকে। প্রতিপক্ষ একজন কম নিয়ে খেলার সুবিধা আদায় করে সাম্পদোরিয়া। ৫৫ মিনিটে জ্যাকব জাঙ্কতু এক গোল শোধ দেন। অবশ্য ৬ মিনিট পর রবার্তো গাগলিয়ারদিনি তৃতীয় গোল করে ইন্টারকে স্বস্তি এনে দেন।








