পুরো ম্যাচের ফলাফল ছাপিয়ে একজন মানুষই সবার নজর কেড়েছেন। তিনি জেমস রদ্রিগেজ। মাত্র ২২ বছর বয়সি এই খেলোয়াড়কে অনেকদিন মনে রাখবেন ফুটবলপ্রেমীরা। প্রথমবারের মত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে কলম্বিয়াকে প্রায় একাই টেনে নিয়ে এসেছেন । পাঁচ ম্যাচে করেছেন ছয় গোল। স্বপ্ন ছিলো আরও দূর যাওয়ার। কিন্তু সামনে যে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক ব্রাজিল। যারা হেক্সা জয়ের স্বপ্নে বিভোর। তাই কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচটি হয়ে উঠেছিল রদ্রিগেজ বনাম ব্রাজিলের হেক্সা মিশন। শেষ পর্যন্ত ব্রাজিলের 'স্বর্গের স্বপ্ন'ই টিকে রইলো। বিদায় নিতে হলো রদ্রিগেজের কলম্বিয়াকেই। এমন বিদায় রদ্রিগেজের পাওনা নয় এটি বুঝতে পেরেছেন ব্রাজিলের রক্ষণভাগের খেলোয়াড় ডেভিড লুইস। তার থেকে ভালো কে ই বা বুঝতে পারে? তাকেই তো সামলাতে হয়েছে রদ্রিগেজের একের পর এক আক্রমণ। তাই বিদায়বেলায় ডেভিড লুইস হয়তো রদ্রিগেজকে বললেন 'দুঃখ করোনা কেবলইতো শুরু'। শুরু থেকেই অসাধারণ খেলা উপহার দিয়েছে দুটি দলই। ব্রাজিল যেন এদিন স্বরুপে ফিরল। দেখা গেল ব্রাজিলিয়ান ছন্দ। খেলার শেষ মুহুর্তে কলম্বিয়া গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠলে ব্রাজিলকে কিছুটা ছন্দহীন দেখা যায়। ৮০ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি পেয়ে সেই রদ্রিগেজের পা থেকেই গোল পায় কলম্বিয়া। কিন্তু তখনো দুই ছেলেবেলার (থিয়েগো সিলভা ও ডেভিড লুইস) বন্ধুর গোলে ব্রাজিল এগিয়ে ২-১ ব্যবধানে। ৮০ মিনিটে ব্যবধান কমানোর পরে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে উঠে কলম্বিয়া। সফলতার সাথে ছন্দিহীন করে দেয় ব্রাজিলের রক্ষণভাগকে। কিন্তু লক্ষ্যভ্রষ্ট শটে সমতায় ফেরা হলো না তাদের। পরিসংখ্যানও বলে সমানে তালে পাল্লা দিয়েছে কলম্বিয়া। ব্রাজিল কলম্বিয়ার গোলমুখে ছয়টি শট করেছে ব্রাজিল। অন্যদিকে কলম্বিয়া করেছে পাঁচটি। বল পজিশনিং ৫১ শতাংশ ও ৪৯ শতাংশ। প্রত্যেক বিশ্বকাপই একজন করে তারকার জন্ম দেয়। নিশ্চিতভাবেই এবারের তারকা রুদ্রিগেজ।








