বিশ্বকাপের টিকেট কালোবাজার করা নিয়ে এবার খোদ ফিফাকেই সন্দেহ করা হচ্ছে। আর এই সন্দেহটা করছে খোদ ব্রাজিলীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষ। ফলে বিশ্বকাপ চলাকালীন নয়া এক সমস্যায় জড়ালো ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা। ইতিমধ্যে কাতারকে ২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের ভেন্যু নির্বাচন করা নিয়ে অর্থ লেনদেনের বিষয়ে বিব্রতকর অবস্থায় রয়েছে ফিফা। পুলিশের তদন্ত সূত্রের দাবী, কোয়ার্টার ফাইনালকে সামনে রেখে টিকেট কালোবাজারের আন্তর্জাতিক চক্র লাখ লাখ ডলার লেনদেন করেছে। আর এ লেনদেনের সঙ্গে ফিফার কিছু ব্যক্তি সরাসরি জড়িত। এই সম্ভাব্য কেলেঙ্কারি বিষয়ে ব্রাজিলের পুলিশ কমিশনার ফ্যাবিও বারুকে জানিয়েছেন, বিশ্বকাপে ফিফার দফতর হিসাবে ব্যবহার হওয়া হোটেল কোপাকাবানা প্যালেসে অবস্থানকারী একজন অজ্ঞাত বিদেশিকে সন্দেহ করা হচ্ছে। বারুকের দাবি, ওই ব্যক্তির সহযোগিতায় বিপুল অর্থের টিকিট কালোবাজারে ছাড়া হয়েছে। আর তার সঙ্গে কাজ করছে বিশ্বকাপের দাফতরিক টিকেট বিক্রয়কারী সংস্থা ম্যাচ হসপিটালিটি। ব্রাজিল পুলিশের তদন্ত সূত্র আরো জানিয়েছে, কোপাকাবানার ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তির পরিচয় জানতে ফিফার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে পুলিশ সন্দেহভাজন ১১ জনকে আটক করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের সঙ্গে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থার যোগসূত্র রয়েছে। এ বিষয়ে ফিফার বিপণন পরিচালক থিয়েরি ওয়েইল স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, টিকেট কালোবাজারীর বিষয়ে যে কোনও তদন্তে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে ফিফা। বিশ্বকাপের ৬৪টি ম্যাচের প্রত্যেকটিতে প্রায় হাজার খানেক টিকেট কালোবাজারে বিক্রয় হওয়ার আশঙ্কা করেছিল স্থানীয় প্রশাসন। স্থানীয় দৈনিক 'ব্রাজিল ও দিয়া'র দাবি, কলোবাজারীরা প্রতিটি বিশ্বকাপ আসর থেকে প্রায় ৯৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার হাতিয়ে নিয়ে থাকে। ২০০২ সাল থেকে এ চক্রটি বিভিন্নভাবে সক্রিয় রয়েছে বলেও দাবি করেছে স্থানীয় গণমাধ্যমটি। এএফপি, বাসস।








