স্পেনে ফুটবলারদের বাড়িতে চোরের উৎপাত ঠেকানো যাচ্ছে না। ম্যাচ কিংবা অনুশীলনে খেলোয়াড়েরা থাকেন ব্যস্ত, আর সেই সুযোগটাই নিচ্ছে সংঘবদ্ধ চোরের দল। যার সর্বশেষ শিকার বার্সেলোনা রাইটব্যাক নেলসন সেমেদো। বুধবার রাতে এল ক্লাসিকো শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে চুরি হয়েছে এই পর্তুগিজের বার্সেলোনার বাড়িতে।
ন্যু ক্যাম্পের এল ক্লাসিকো নিয়ে ব্যস্ত ছিল বার্সেলোনা পুলিশ। রাজনৈতিক উত্তাপে অক্টোবরে বাতিল হওয়া বার্সেলোনা-রিয়াল মাদ্রিদ দ্বৈরথের নতুন সূচিতেও ছিল অপ্রীতিকর পরিস্থিতির শঙ্কা। বাড়তি নিরাপত্তায় পুলিশের ব্যস্ততাই সম্ভবত কাজে লাগিয়ে সেমেদোর বাড়িতে চুরির পরিকল্পনা সাজিয়েছিল সংঘবদ্ধ চক্রটি। সতীর্থদের সঙ্গে উত্তাপ ছড়ানো ম্যাচে নামার যখন প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি, সেই সময়ই চুরি হয়েছে তার বাড়িতে। গোলশূন্য ড্র নিয়ে হোটেলে ফেরার পরই সেমেদো জানতে পারেন চুরির কথা।
বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হয় মৌসুমের প্রথম এল ক্লাসিকো। তার ঘণ্টাখানেক আগে ২৬ বছর বয়সী রাইটব্যাকের বাড়ি হানা দেয় চোরের দল। স্প্যানিশ রেডিও ‘কাদেনা সের’-এর খবর, ওই মুহূর্তে বাড়িতে কেউ ছিল কি না, সেটা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। একই সঙ্গে কী কী খোয়া গেছে, সে ব্যাপারেও সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে একটি সূত্র থেকে সংবাদমাধ্যমটি জানতে পেরেছে, মূল্যবান জিনিসপত্রই চুরি হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ঘড়ি ও স্বর্ণালঙ্কার।
স্পেনে ফুটবলারদের বাড়িতে চুরি যেন রোজকার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর আগে সেমেদোর বার্সেলোনা সতীর্থ জেরার্দ পিকে, জর্দি আলবা ও কেভিন প্রিন্স বোয়াটেংয়ের বাড়িতেও চোর ঢুকেছিল। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড়দেরও রেহাই মেলেনি চোরের হাত থেকে। কাসেমিরো, ইসকো, করিম বেনজেমা, লুকাস ভাসকেজ ও কোচ জিনেদিন জিদানের বাড়িতেও ঘটেছে চুরির ঘটনা।
টার্গেট করেছিল আতলেতিকো মাদ্রিদ স্ট্রাইকার আলভারো মোরাতার বাড়িও। তবে ঘরে তাঁর স্ত্রী ও সন্তানেরা থাকায় ভেস্তে যায় চোরদের পরিকল্পনা।







