বিশ্ব ফুটবলে আলোড়নই সৃষ্টি করেছিল প্যারিস সেন্ত জার্মেই। বিশ্ব রেকর্ড গড়ে নেইমারকে কেনার সঙ্গে কাইলিয়ান এমবাপেকে স্থায়ী চুক্তি করার শর্ত রেখে ধারে নিয়ে আসে প্যারিসের ক্লাবটি। লিওনেল মেসির ছায়ার নিচ থেকে বেরিয়ে আসতে নেইমার ফরাসি দলটিকে বেছে তো নিলেন, কিন্তু এমবাপের সঙ্গে লড়াই জমে উঠতেও সময় লাগলো না। পিএসজিতে দুই তারকার বিরোধের গুঞ্জন উঠতেও সময় লাগেনি ফরাসি মিডিয়ায়। যদিও সেই গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছেন এমবাপে।
২০১৭ সালে গ্রীষ্মের দলবদলে বার্সেলোনা থেকে ২২২ মিলিয়ন ইউরোতে পিএসজিতে নাম লেখান নেইমার। অন্যদিকে মোনাকো থেকে ১৬০ মিলিয়ন ইউরোতে এমবাপের সঙ্গে স্থায়ী চুক্তি সারে ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা। মাঠে দুই তারকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কই দেখা গেছে শুরুতে। এমনকি এমবাপে নিজেও বলেছেন, ‘নেইমার আমার বড় ভাইয়ের মতো।’ কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে নেইমারের পিএসজি ছাড়তে চাওয়া ও চোটের কারণে প্রায়ই মাঠের বাইরে থাকায় নাকি দৃশ্যপট পাল্টে গেছে।
নেইমারের অনুপস্থিতিতে পিএসজিকে পথে রেখেছেন এমবাপে। প্যারিসের ক্লাবটির ‘সেরা খেলোয়াড়’-এর জায়গাটা নাকি ফরাসি ফরোয়ার্ডই চাইছেন। এ নিয়ে নেইমারের সঙ্গে তার সম্পর্কের অবনতির খবর শোনা যাচ্ছে ইউরোপিয়ান মিডিয়ায়। এই ইস্যুটি নিয়ে এমবাপে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছেন ফরাসি ম্যাগাজিন ‘ফ্রান্স ফুটবল’-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে।
নেইমারের সঙ্গে সম্পর্ক আগের মতোই থাকার দাবি এমবাপের। তার সঙ্গে বিরোধের খবরও উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। বরং সম্পর্কের অবনতি যেন না হয়, সেজন্য তিনি আগেই আলোচনা সেরে নিয়েছিলেন ব্রাজিলিয়ান তারকার সঙ্গে।
এমবাপে শুরুটা করলেন এভাবে, ‘আমি যখন প্যারিসে আসি, তখনই নেইমার সুপারস্টার। সে চোটে পড়লো, বিশ্বকাপে না খেলার শঙ্কাও জন্মালো। ওদিকে আমি বিশ্বকাপ জিতলাম। তখন থেকেই তার সঙ্গে বিরোধের খবর বেরোনো শুরু হলো। বলতে শুরু করলো আমি নাকি তার জায়গা নিতে চাইছি।’
যদিও নেইমারের সঙ্গে আগেই আলোচনা সেরে নিয়েছিলেন ২১ বছর বয়সী তারকা, ‘২০১৮ সালের আগস্টে প্যারিসে ফেরার পর প্রথমেই আমি তার সঙ্গে কথা বলেছিলাম।’ কী কথা হয়েছিল? শুনুন এমবাপের মুখেই, “তাকে বলেছিলাম, এই বছর আমি ব্যালন ডি’অর জন্য লড়াই করব, কারণ নেইমার সেবার (ব্যালন ডি’অর) দৌড়ে ছিল না। তবে আমি তাকে নিশ্চিত করেছিলাম, পিএসজিতে আমি তার জায়গা চাই না। সে তার জায়গা ধরে রাখতে পারে। এটাও বলেছিলাম, এখানে (পিএসজি) আমি এসেছি তাকে সাহায্য করতে।”








