আক্রমণের পসরা সাজিয়েও গোল পেলো না মোহামেডান। যার খেসারত দিতে হলো পয়েন্ট ভাগাভাগি করে। শেখ রাসেলের বিপক্ষে জিতলে নকআউট পর্বের পথে বড় ধাপ ফেলতে পারতো সাদা-কালোরা। কিন্তু মাঠ ছেড়েছে তারা গোলশূন্য ড্র করে।
পয়েন্ট ভাগাভাগি করায় শেষ ম্যাচে ঠিক হবে ‘ডি’ গ্রুপের কোন দুই দল খেলবে কোয়ার্টার ফাইনালে। দুই ম্যাচ শেষে শেখ রাসেলের ৪ ও মোহামেডানের পয়েন্ট ২। অন্য দুই দল মুক্তিযোদ্ধার ৪ ও উত্তর বারিধারার পয়েন্টের ঘর ফাঁকা।
আগের ম্যাচ জিতে শেখ রাসেল ছিল ফেভারিট। মোহামেডানের বিপক্ষে জিততে পারলে সরাসরি নকআউট পর্বে চলে যেত তারা। কিন্তু সাদা-কালোদের বিপক্ষে ম্যাচের অধিকাংশ সময় রক্ষণ সামলাতে ব্যস্ত থাকতে হয়েছে সাইফুল বারী টিটুর দলকে। মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণ রেখে মোহামেডান আক্রমণ করে গেছে।
আজ (মঙ্গলবার) বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচের ১৯তম মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ পায় মোহামেডান। জাপানের উরু নাগাতার শট গোলকিপার আশরাফুল ইসলাম রানা ঝাঁপিয়ে প্রতিহত করেন, ফিরতি বলে মালির সোলেমান দিয়াবাতের শট আবারও রানা ফিরিয়ে দিলে গোলবঞ্চিত হয় শন লেনের দল। মিনিট ছয়েক পর সোলেমানের আরও একটি শট শেখ রাসেল গোলকিপারের গ্রিপে।
প্রথমার্ধে শেখ রাসেলের প্রথম সুযোগটা আছে আধ ঘণ্টা পেরোনোর পর। আশরাফুলের ক্রসে তকলিছের ভলি ক্রস বারের ওপর দিয়ে গেলে গোল উৎসব করা হয়নি তাদের।
বিরতির পর শেখ রাসেল ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। ৪৭ মিনিটে রাফায়েলের ফ্রি কিক গোলকিপার সুজন হোসেন ঝাঁপিয়ে ঠেকান। আরেকবার উজবেকিস্তানের আজিজভ আলিশের শট মোহামেডান গোলরক্ষক দারুণ দক্ষতায় রুখে দিলে হতাশ হতে হয় শেখ রাসেল সমর্থকদের। শেষের দিকে মোহামেডান আক্রমণে ফিরলেও গোল পায়নি। তাই পয়েন্ট ভাগভাগি করে করে মাঠ ছাড়তে হয় দুদলকে।
ড্র করেও খুশি মোহামেডানের অস্ট্রেলিয়ান কোচ শন লেন, ‘৩ পয়েন্টের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছিলাম। তবে ১ পয়েন্ট পাওয়াতেও আমি খুশি। দল আগের চেয়ে ভালো খেলেছে, শুধু আমরা গোল পাইনি। পরের ম্যাচে জেতার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে যাব যেন নকআউট পর্বে যেতে পারি।’
শেখ রাসেলের সহকারী কোচ মাসুদ পারভেজ কায়সার অবশ্য হতাশ, ‘প্রথমার্ধে মোহামেডান ভালো খেলেছে। আমাদের সেভাবে খেলতে দেয়নি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে আমরা সুযোগ পেয়েও গোল করতে পারিনি। ড্রতে আমরা হতাশ। পরের ম্যাচেই এখন ভাগ্য নির্ধারণ হবে।’








