বাংলাদেশের ক্লাব ফুটবল সম্পর্কে তার ধারণা কম নয়। আবাহনী লিমিটেডের হয়ে একসময় ডাগআউটে দাঁড়িয়েছেন দ্রাগো মামিচ। এবার অবশ্য সাইফ স্পোর্টিংয়ের হয়ে নতুন অভিযাত্রা শুরু করতে যাচ্ছেন এই ক্রোয়েশিয়ান কোচ। সোমবার ক্লাবটির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তিও স্বাক্ষর করেছেন। তার সহযোগী থাকছেন জুলফিকার মাহমুদ মিন্টু।
প্রায় তিন বছর আগে মামিচ ঢাকা ছেড়ে গেলেও নিয়মিতই বাংলাদেশের ফুটবলের খোঁজখবর রেখেছেন। নতুন দল সাইফ সম্পর্কেও কিছু ধারণা নিয়ে এসেছেন তিনি। সেটিকে পুঁজি করেই আসন্ন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের প্রস্তুতি শুরু করবেন।
ফেডারেশন কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পুলিশ এফসির কাছে ৩-১ গোলে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল সাইফকে। পত্রপাঠ ছাঁটাই কোচ মোহাম্মদ নিজাম। জাতীয় দলের সাত জন ফুটবলার থাকা স্বত্ত্বেও সাইফের বিদায়টা বিস্মিত করেছে মামিচকে। তার কাছে মনে হয়েছে দলের মানসিকতায় বড় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। ৬৫ বছর বয়সী কোচ মূল বিষয়টা ধরতে পেরেছেন, ‘আমি সত্যি অবাক হয়েছি কমশক্তির দলের কাছে সাইফকে হেরে যেতে দেখে। খেলাটার ভিডিও দেখে মনে হয়েছে ছেলেদের চ্যাম্পিয়ন মানসিকতার বড্ড অভাব। শুরুতে আমাকে এটা নিয়েই কাজ করতে হবে। চ্যাম্পিয়ন মানসিকতা থাকলেই চ্যাম্পিয়ন হওয়া যাবে।’
আগের চেয়ে প্রতিযোগিতার মান বেড়েছে দেশের ফুটবলে। মামিচের উপলব্ধি, ‘এটা ইতিবাচক যে এখন অনেকগুলো ক্লাব ভাল দল গড়ে। এদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও বেড়েছে। যেটা বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য ভালো।’
সহযোগী হিসেবে জুলফিকার মাহমুদ মিন্টুকে পেয়ে কোচ খুশি, ‘ওকে আমি আগে থেকেই চিনি। খুব ভালো কোচ। আশা করছি তার কাছ থেকে এদেশের ফুটবল সম্পর্কে অনেক ভাল তথ্য পাবো। মিন্টুও নিজের সেরাটা দিয়ে দল ও কোচকে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ‘আমার দায়িত্ব হলো হেড কোচকে সহযোগিতা করা। আশা করছি সেই দায়িত্ব আমি পালন করতে পারবো।’








