বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবলে শিরোপা জেতা হয়নি বাংলাদেশ দলের। শুধু একবার রানার্সআপ হয়েছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা, ২০১৫ সালে। আর দুদিন পর শুরু আরও একটি প্রতিযোগিতা। এবারও কি হবে স্বপ্নভঙ্গ?
তবে ১৫ জানুয়ারি থেকে ৬ দলের এবারের আসরেও বাংলাদেশ যথারীতি নামবে শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনও (বাফুফে) খুব করে দলকে উদ্বুদ্ধ করছে এবার যাতে ট্রফিটা হাতে ওঠে। ট্রফি না জিততে পারলেও ফাইনালে যেন ওঠা যায়। তাই বোনাস ঘোষণা করেছে বাফুফে। শিরোপা জয়ের জন্য এক লাখ মার্কিন ডলার। রানার্সআপ হতে পারলে ৫০ হাজার ডলার।
আজ রবিবার টিম হোটেলে গিয়ে বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন ও সহসভাপতি কাজী নাবিল আহমেদ খেলোয়াড়দের সঙ্গে দেখা করেছেন। সেখানেই দুই কর্মকর্তা অনুপ্রাণিত করতে দিয়েছেন বোনাস পুরস্কারের ঘোষণা। বাফুফে সভাপতি বলেছেন, ‘তোমরা যা যা চেয়েছো সব দিয়েছি। তোমরা চ্যাম্পিয়ন হলে দলের জন্য ১ লাখ ডলার এবং রানার্সআপ হলে ৫০ হাজার ডলার দেওয়া হবে।’
খেলোয়াড়দের সবরকমের সুবিধা দেওয়ার কথা বলে সালাউদ্দিন আরও বলেছেন, ‘তাদের বলেছি ফেডারেশন টাকা দিতে পারবে। সবরকমের সুবিধা দিতে পারবে। কিন্তু খেলে দিতে পারবে না। খেলতে হবে তোমাদের। খেলোয়াড়েরা আমাকে বলেছে তারা শতভাগ দেবে। তাদের সঙ্গে কথা বলে আমি যেটা দেখলাম, তারা খুবই উজ্জীবিত আছে। সেটা শারীরিক-মানসিক দুদিক দিয়েই।’
বাফুফের সহসভাপতি ও ন্যাশনাল টিমস কমিটির চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদ সোহেল-মতিনদের উদ্বুদ্ধ করেছেন এভাবে, ‘আমাদের প্রথম লক্ষ্য সেমিফাইনালে যেতে হবে। ফিলিস্তিন কঠিন দল। তারপরেও নিজেদের জন্য খেলতে হবে। দেশের জন্য খেলতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য খেলতে হবে।’
ডিফেন্ডার তপু বর্মণ বাফুফের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে নিজেদের উজ্জীবিত মনে করছেন, ‘সভাপতির সঙ্গে কথা বলার পর আমরা দারুণ উজ্জীবিত। আরও মনযোগী হতে পারছি ও অনুপ্রেরণা পাচ্ছি। আমরা যদি ভালো করি তাহলে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য তা অনুপ্রেরণাদায়ী হবে।’








