সুদক্ষ ফুটবলার হিসেবে জাহিদ হোসেনের খ্যাতি আছে। ক্যারিয়ারের শেষের দিকে এসেও দুর্দান্ত খেলছেন এই উইঙ্গার। গতবার আরামবাগের হয়ে নিজের প্রতিভা দেখিয়েছেন। এবার প্রিমিয়ার লিগে শেখ জামালের হয়ে মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। সোমবার দলের বড় জয়ে বড় ভূমিকা ছিল তার। চারটি গোলের তিনটির উৎস এই উইঙ্গার।
কিন্তু লিগে ভালো করেও জাতীয় দলে খেলার সুযোগ হচ্ছে না জাহিদের। সেই যে ২০১৬ সালে জাতীয় দল থেকে ছিটকে পড়েন বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের সময় শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে, আর ফেরা হয়নি। গতবছর আরামবাগ ক্রীড়াসংঘের হয়ে বেশ ভালো খেলেছেন। এবার আলো ছড়াচ্ছেন শেখ জামালের হয়ে।
লিগের এই উজ্জ্বল পারফরম্যান্স দিয়েই আবারও জাতীয় দলে ডাক পেতে চান জাহিদ। আজ ম্যাচ শেষে অ্যাথলেটিকস টার্ফে দাঁড়িয়ে অনেকটা ক্ষোভের সঙ্গ প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন, ‘আমার খেলা দেখলে কেন আমাকে বাদ দেওয়া হবে? আমি কি গতবছর খারাপ খেলেছি?’
ইংলিশ কোচ জেমি ডে আসার পার একটু আশার আলো দেখতে পেয়েছিলেন জাহিদ। তার সঙ্গে কথাও হয়েছিল। জাহিদ নিজেই বলেছেন, ‘জেমি ডে আসার পর আমাকে ডেকেছিলেন। তখন আমি হালকা ইনজুরিতে ছিলাম। এরপর কী হলো বুঝলাম না। আর ডাকা হলো না।’
জাহিদ নিজেকেই সেরা মনে করেন, ‘কারও সঙ্গে আমার তুলনা করবেন না। আমিই সেরা। দেখুন আমার ক্যারিয়ার, আমার পারফরম্যান্স। আবারও জাতীয় দলে আমাকে ডাকা হলে দেশের স্বার্থে অবশ্যই সাড়া দেবো।’
জাহিদের লাল-সবুজ জার্সি গায়ে খেলার সামর্থ্য অবশ্যই আছে। শেখ জামালের কোচ শফিকুল ইসলাম মানিকের সেটা বলতে কোনও দ্বিধা নেই, ‘জীবন যদি জাতীয় দলে খেলতে পারে তাহলে জাহিদ কেন নয়? দুইজনের বয়স তো কাছাকাছি। জাতীয় দলে ডাকার ক্ষেত্রে বয়স নয়, মূল্যায়ন করতে হবে পারফরম্যান্স।’








