আগের ম্যাচে ব্রাদার্স ইউনিয়নের সঙ্গে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জিততে হয়েছে বসুন্ধরা কিংসকে। বুধবারও রহমতগঞ্জকে হারাতে ঘাম ঝরাতে হলো বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের। অস্কার ব্রুজনের দল ম্যাচ জিতেছে ২-১ গোলে।
প্রিমিয়ার লিগে চার ম্যাচে তৃতীয় জয় ও এক ড্র থেকে বসুন্ধরার অর্জন ১০ পয়েন্ট। সমান ম্যাচে রহমতগঞ্জের পয়েন্ট এক, জয় যে তাদের কাছে এখনও অধরা।
বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধ ছিল বসুন্ধরার খেলোয়াড়দের দখলে। ম্যাচের তিনটি গোলই হয়েছে এই অর্ধে। রহমতগঞ্জ খেলেছে প্রতিআক্রমণনির্ভর ফুটবল। যদিও ম্যাচ শুরুর প্রথম মিনিটেই গোল পেতে পারতো পুরোনো ঢাকার দলটি। তুরায়েভ আখোবিরের হেড গোলকিপার আনিসুর রহমান জিকো ফিরিয়ে দিয়ে তা হতে দেননি।
তবে চার মিনিটে প্রথম আক্রমণ থেকেই গোল পেয়েছে বসুন্ধরা। মোহাম্মদ ইব্রাহিমের কাটব্যাক থেকে বক্সের ভিতরে দানিয়েল কলিনদ্রেস গোলকিপার রাসেল মাহমুদ লিটনকে পরাস্ত করেন।
গোল শোধে রহমতগঞ্জ চেষ্টা করতে থাকে। ৩৮ মিনিটে তারা সফলও হয়। মাহমুদুল হাসানের শট গোলকিপার ঝাঁপিয়ে পড়ে রক্ষা করেন, ফিরতি বলে আখোবিরের শট জালে জড়িয়ে যায়।
বিরতির ঠিক আগ মুহূর্তে বসুন্ধরা এগিয়ে যায়। ডানপ্রান্ত থেকে বিপলু আহমেদের পাসে বক্সের মধ্যে বল পেয়ে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে তা জালে পাঠিয়ে দেন বখতিয়ার দুইশবেকভ (২-১) ।
বিরতির পর রহমতগঞ্জ একটু গুছিয়ে খেলেছে। কিন্তু গোল শোধ দিতে পারেনি।
৫৭ মিনিটে মোমোদু বাহর পাস থেকে সানোয়ার হোসেনের শট পোস্ট ঘেঁষে বাইরে যায়।৮৬ মিনিটে সাজিদুর রহমানের শট গোলকিপার ফিরিয়ে দেন, ফিরতি বলে আখোবিরের শট এক ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করে বসুন্ধরাকে জয় থেকে বঞ্চিত হতে দেননি।
ফাঁকে ফাঁকে বসুন্ধরা আক্রমণ করলেও গোলের ব্যবধান বাড়াতে পারেনি। ২-১ স্কোরলাইন রেখেই মাঠ ছেড়েছে তারা।








