পর্তুগাল ০-০ স্পেন। গোল না হওয়া স্কোরলাইন দেখে কিছুতেই আঁচ করা যাবে না কী উত্তেজনা ছড়িয়েছে লিসবনের ম্যাচটি। দুর্ভাগা পর্তুগালকে সুযোগ নষ্ট আর গোলপোস্ট-দুঃখে ঘরের মাঠ ছাড়তে হয়েছে ড্র করে। প্রথমে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, পরে রেনাতো সানচেজের শট কাঁপিয়েছে স্পেনের পোস্ট। আর শেষ দিকে জোয়াও ফেলিক্স ফাঁকায় বল পেয়েও জালে পাঠাতে না পারায় হতাশার একটি রাত কেটেছে রোনালদোদের।
প্রীতি ম্যাচ হলেও পর্তুগাল ও স্পেন দুই দলের জন্যই ম্যাচটি ছিল সম্মানরক্ষার। উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচের আগে প্র্রস্তুতির সবচেয়ে বড় অংশও ছিল লিসবনের এস্তাদিও জোসে আলভালাদের ম্যাচটি। বল পজেশন কিংবা আক্রমণে স্পেন এগিয়ে থাকলেও সুযোগ বেশি তৈরি করেছে পর্তুগাল। কিন্তু সেগুলো কাজে লাগাতে না পারায় গোলহীনভাবে ছাড়তে হয়েছে মাঠ।
২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে এই স্পেনের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছিলেন রোনালদো। জুভেন্টাস ফরোয়ার্ড আবারও জ্বলে উঠেছিলেন লা রোজাদের পেয়ে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে পর্তুগিজদের প্রায় এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ায় গোলপোস্ট। সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ উইঙ্গারের শট বারের নিচের দিকে গিয়ে আঘাত করে।
৬৮ মিনিটে তো আরও ভালো সুযোগ তৈরি হয়েছিল পর্তুগালের। কিন্তু এবারও বাধা সেই বারপোস্ট। মিডফিল্ডার রেনাতো সানচেজ তো ভেবেছিলেন গোল হয়েই গেছে। বুনো উল্লাসে মেতে ওঠেন এই মিডফিল্ডার। কিন্তু তার শট বারের নিচে দিকে লেগে মাটিতে বাউন্স খেলেও গোললাইন পার হয়নি।
গোলপোস্ট-দুঃখটা তবু জুড়ানোর সুযোগ এসেছিল দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে। কিন্তু ফেলিক্সের ‘শিশুসুলভ’ ভুলে ভেস্তে গেছে সেই সম্ভাবনাও। কর্ণার থেকে আসা বলে রুবেন সেমেদোর হেড একেবারে ফাঁকায় পেয়ে গিয়েছিলেন আতলেতিকো ফরোয়ার্ড, কিন্তু বল জালে জড়াতে পারেননি।
প্রীতি ম্যাচ শেষে উয়েফা নেশনস লিগে নামতে যাচ্ছে পর্তুগাল। রবিবার তাদের প্রতিপক্ষ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। অন্যদিকে স্পেন ঘরের মাঠে আতিথ্য দেবে সুইজারল্যান্ডকে।








