করোনাভাইরাসের কারণে পরিত্যক্ত মৌসুমের শতভাগ পারিশ্রমিক পাবেন ফুটবলাররা, সেই সঙ্গে নতুন মৌসুমের জন্য আগের চুক্তির ২৫ ভাগ অর্থ যোগ হবে- এমনটি পেশাদার লিগ কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু খেলোয়া্ড়দের দাবি, নতুন মৌসুমের জন্য আগের চুক্তির অন্তত ৫০ ভাগ টাকা প্রাপ্তি। লিগ কমিটির সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট হতে না পেরে তারা দেখা করেছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের সঙ্গে। সেখানে তাদের নতুন চুক্তিতে আগের পারিশ্রমিকের ২৫ নয়, ৪০ ভাগ অর্থ প্রাপ্তির আশ্বাস মিলেছে।
আজ (মঙ্গলবার) বাফুফে ভবনে প্রিমিয়ার ও জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের প্রতিনিধিরা বাফুফে সভাপতির সঙ্গে দেখা করে ইতিবাচক বার্তা পেয়েছেন। সালাউদ্দিনের সঙ্গে দেখা করেছেন জাতীয় দলের গোলকিপার আশরাফুল ইসলাম রানা, তপু বর্মণ ও সোহেল রানা।
সভা শেষে আশরাফুল সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আগে আমরা কীভাবে দলবদল করবো, তার গাইডলাইন চেয়েছিলাম বাফুফের কাছে। নতুন চুক্তির জন্য আগের পারিশ্রমিকের ৫০ ভাগ চেয়েছিলাম। তবে আমরা আগের সভাতে সিদ্ধান্ত হওয়া ২৫ ভাগ পারিশ্রমিকের কথা শুনে হতাশ ছিলাম। এখন সভাপতির কাছে আমাদের দাবিগুলো তুলে ধরি। আগেও তার সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। এবার সভাপতি পারিশ্রমিকের পরিমাণ ৪০ ভাগ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তার সম্মানার্থে আমরা তাতে সম্মতি দিয়েছি। আমরা খুশি এতে।’
জাতীয় দলের মিডফিল্ডার সোহেল রানার কণ্ঠেও ঝরলো তৃপ্তি, ‘আমাদের দাবি ছিল আগের টাকা যেন শতভাগ দেওয়া হয়। ফেডারেশন এখন নতুন মৌসুমের জন্য পারিশ্রমিক ৪০ ভাগ বাড়ানোর চেষ্টা করবে। সভাপতি আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন। সবাই এখন সম্মত হয়েছি এই আশ্বাসে।’
ফুটবলারদের দাবি-দাওয়ার বিষয়টি আগামী বৃহস্পতিবারের পেশাদার লিগ কমিটির সভাতে নতুন করে পূর্ণাঙ্গ আকারে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। বাফুফে সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ জানালেন তেমনটি, ‘বৃহস্পতিবার সভা আছে লিগ কমিটির, ফুটবলের সূচি নিয়ে, কবে খেলা শুরু হবে তা নিয়ে। এছাড়া খেলোয়াড়রা যে বার্তা দিয়েছে তা সেই কমিটির কাছে উপস্থাপন করা হবে। যদিও সভাপতি বিষয়টি দেখবেন বলে জানিয়েছেন। আসলে খেলোয়াড়রা যেন ছাড় দেয়। ক্লাবকেও দিতে হবে। সবাই যার যার জায়গায় ছাড় দিলে সুষ্ঠভাবে দলবদল ঘোষণা করতে পারবো আমরা।’








