ঢাকায় ফিরলেও কোয়ারেন্টিন বিধিতে আটকা ছিলেন এতদিন। তাই আর স্বশরীরে ঘরোয়া ফুটবল দেখার সুযোগ হচ্ছিল না। অবশেষে সেই পর্ব শেষে জাতীয় ফুটবল দলের কোচ জেমি ডে সরাসরি মাঠে এসে প্রিমিয়ার ফুটবল লিগ দেখতে শুরু করেছেন। এমনিতে হোটেলে ‘বন্দি’ থাকা অবস্থায় টেলিভিশনে খেলা দেখেছেন এতদিন। যার মূল উদ্দেশ্যই হলো খেলোয়াড় বাছাই।
অবশ্য এই বাছাইয়ের কারণ আগামী মার্চেই ঢাকায় হওয়ার কথা বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ চ্যাম্পিয়নশিপ। এর পরই হবে বিশ্বকাপ বাছাই ফুটবলের বাকি তিনটি ম্যাচ। সেই লক্ষ্যেই এবার আগেভাগে ঢাকায় চলে এসেছেন ডে। যাতে করে মাঠে বসে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। এছাড়াও আরেকটি কারণ হলো প্রাথমিক দলে অভিজ্ঞদের পাশাপাশি নতুন কিছু মুখ রাখার পরিকল্পনা। জেমি ডেও আভাস দিয়েছেন তেমনই।
বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেছেন, ‘জাতীয় দলে এবার কিছু নতুন মুখ দেখতে পাওয়া যেতে পারে। আপাতত তাদের পারফরম্যান্স দেখা হচ্ছে। এখনও আমার হাতে সময় আছে। শেষপর্যন্ত খেলা দেখেই সিদ্ধান্ত নেবো।’
তবে যারা লিগে খেলতে পারছেন না। তাদের এবার জাতীয় দলে জায়গা পাওয়াটা কঠিন। এমন তথ্য জানালেন জাতীয় দলের এই কোচ, ‘সাইড লাইনে যারা বসে আছে তাদের দলে নেওয়াটা বেশ কঠিন। যারাই খেলতে পারবে, তাদেরকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’
সবশেষ কাতারের বিপক্ষে ৩৬ জন খেলোয়াড় সুযোগ পেয়েছিল। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ কিংবা বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের জন্য সেই সংখ্যাও কমে যেতে পারে। ডের ব্যাখ্যা, ‘বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ হবে কিনা এখনও জানি না। আর বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের খেলা বাংলাদেশে নাকি বাইরে হবে তা নিশ্চিত নয়। তাই অবস্থা বুঝেই প্রাথমিক দল ডাকা হবে।’









