প্রতি ম্যাচেই নতুন কিছু করে মোহিত করছেন লিওনেল মেসি। সবশেষে দেপোর্তিভো আলাভেসের বিপক্ষেই যেমন চোখ জুড়ানো দুটো গোল করলেন তিনি। তাছাড়া সতীর্থদের দিয়ে যে সব গোল করান, সেগুলোর পাস দেখে মনে হয় যেন পুরো জ্যামিতিক হিসাব মিলিয়ে বলটা ছাড়লেন। ফুটবলপ্রেমীদের সঙ্গে সেগুলো মুগ্ধ নয়নে উপভোগ করেন তার সতীর্থরাও। উসমান ডেম্বেলে এতদিন খেলছেন একসঙ্গে, এরপরও তার বিস্ময়ের ঘোর কাটে না। গোটা মাঠে বার্সেলোনা অধিনায়কের সম্পৃক্ততায় ফরাসি ফরোয়ার্ডের মনে হয়, যেন মাথার পেছনেও চোখ আছে মেসির!
২০১৭ সালের গ্রীষ্মের দলবদলে বার্সেলোনায় নাম লেখান ডেম্বেলে। ধারাবাহিক না হতে পারলেও প্রায়ই দারুণ কিছু পারফরম্যান্স দেখা যায় তার। এবারের মৌসুমে যেমন ভালো সময় কাটছে তার। বিশ্বকাপ জয়ী এই ফরাসি ফরোয়ার্ড উয়েফা ডটকমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন সতীর্থ মেসিকে নিয়ে।
আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের প্রশংসা ঝরেছে তার কণ্ঠে, ‘লিও অনন্য, আমরা সেটা সবাই জানি। তিনি অতুলনীয়, ফুটবল ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়। যখন ছোট ছিলাম, তখন তিনি আমাকে অনুপ্রাণিত করতেন, এখনও করেন। সত্যি বলতে, তার সঙ্গে খেলতে পারাটা সম্মানের।’
ন্যু ক্যাম্পে নাম লেখানোর সময় একটা কথা নিজেকে বারবার বুঝিয়েছিলেন, কথাটা এখনও নিজেকে বু্ঝিয়ে চলেছেন ডেম্বেলে। কী সেই কথা? শুনুন ফরাসি ফরোয়ার্ডের মুখেই, “আমি বলেছিলাম, যখন লিওর পায়ে বল থাকবে, তখন পেছনে তাকাবে না। এগিয়ে যাবে এবং দৌড়ে জায়গা তৈরি করবে। চিন্তা করো না, বল তোমার কাছে পৌঁছাবেই।’ এই কথাটা আমি ধারাবাহিকভাবে নিজেকে বলে যাচ্ছি।”
এরপরই ডেম্বেলে বললেন, ‘যখন আমি দৌড়ানো শুরু করি, তখন তিনি (মেসি) সবসময়ই পাস বাড়ান, যখন পারেন না, আবারও চেষ্টা করেন। যেন মাথার পেছনেও চোখ আছে তার।’








