লিগ শিরোপা জেতা হয়নি। অথচ গত ৯ বছর ধরেই তারা ছিল ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়ন। এছাড়া ২০১১/১২ সালের পর চ্যাম্পিয়নস লিগ খেলাও অনিশ্চয়তার মাঝে পড়ে গিয়েছিল জুভেন্টাসের। সিরি আ’য় পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছিল যে, শেষ দিনের ম্যাচে জিতলেই হতো না। তাকিয়ে থাকতে হতো নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বীদের ম্যাচের দিকেও। শেষ পর্যন্ত দুই দিকই রক্ষা হয়েছে জুভেন্টাসের।
বোলোনিয়াকে ৪-১ গোলে হারিয়ে ও নাপোলি ভেরোনার সঙ্গে ১-১ ড্র করায় চ্যাম্পিয়নস লিগ খেলার লক্ষ্য পূরণ হয়েছে জুভেন্টাসের। এখন ৩৮ ম্যাচে ৭৮ পয়েন্ট নিয়ে সেরা চারে থেকে লিগ শেষ করেছে তারা। অপর দিকে নাপোলি ৭৭ পয়েন্ট নিয়ে লিগ শেষ করেছে পঞ্চম স্থানে থেকে।
একইভাবে চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলা নিশ্চিত হয়েছে এসি মিলানেরও। আতালান্তাকে ২-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় হয়ে মৌসুম শেষ করেছে তারা। এই জয়ে অবশ্য আতালান্তাকে টপকেই তারা দ্বিতীয় স্থানে উঠেছে। আতালান্তা নেমে গেছে তিনে। এখন পয়েন্ট টেবিলে আতালান্ত ও জুভেন্টাসের সমান ৭৮ পয়েন্ট হলেও মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে ছিল আতালান্তা। তাই জুভেন্টাস হয়েছে চতুর্থ।
অথচ জুভেন্টাসের ভাগ্য নির্ধারণের দিনে একাদশে ছিলেন না রোনালদো। পাউলো দিবালা ও আলভারো মোরাতাকে নিয়ে আক্রমণ সাজিয়েছিলেন কোচ পিরলো। তাতেও সমস্যা হয়নি। ম্যাচের প্রথমার্ধেই তারা এগিয়ে যায় ৩-০ গোলে। গোল করেন ফেডেরিকো চেইসা, আলভারো মোরাতা ও আদ্রিওঁ রাবিও। দ্বিতীয়ার্ধের ৪৭ মিনিটে জোড়া গোলের দেখা পান মোরাতা।









