আড়াই বছর পর সাবিনা খাতুন-কৃষ্ণা রাণী সরকাররা আন্তর্জাতিক ম্যাচের স্বাদ পেতে যাচ্ছেন। নেপালের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ ছাড়াও উজবেকিস্তানে রয়েছে এশিয়ান কাপের বাছাই পর্ব। দুটি জায়গায় খেলার জন্য মুখিয়ে আছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি মিলেছে কোচ ও অধিনায়কের কণ্ঠে।
নেপালের সঙ্গে পোখারায় ম্যাচ দুটি হবে ৯ ও ১২ সেপ্টেম্বর। সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশের মেয়েরা কাঠমান্ডু যাবে ৬ সেপ্টেম্বর। সেখানে দুটি ম্যাচ খেলেই গন্তব্য উজবেকিস্তান। সেখানে এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বে ‘জি’ গ্রুপে বাংলাদেশ ছাড়াও আছে ইরান ও জর্ডান। ৮ গ্রুপের শীর্ষ দল যাবে চূড়ান্ত পর্বে। যেখানে আগে থেকেই অপেক্ষায় আছে গতবারের চ্যাম্পিয়ন জাপান, রানার্স-আপ অস্ট্রেলিয়া ও তৃতীয়স্থান চীন এবং স্বাগতিক ভারত।
আজ (মঙ্গলবার) সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় দলের কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন প্রীতি ম্যাচ ও এশিয়ান কাপের বাছাই নিয়ে ইতিবাচক কথা শুনিয়েছেন, ‘এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ম্যাচ খেলতে পারবো। আশা করছি, দেশবাসীকে ভালো কিছু দিতে পারবো। এর আগে নেপালে দুটি প্রস্তুতিমূলক ম্যাচ হবে। প্রীতি ম্যাচের অভিজ্ঞতা আমাদের সেখানে কাজে লাগবে।’
২০১৯ সালেরর মার্চে সবশেষ জাতীয় দল সাফ ফুটবলে খেলেছিল। ঠিক আড়াই বছর পর আবারও আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ এসেছে। ছোটন তাই বলেছেন, ‘এই দলটি অনেকদিন ধরে খেলছে। অভিজ্ঞ হয়েছে। শারীরিক ও ট্যাকটিক্যালিও উন্নতি হয়েছে। নেপাল কিংবা উজবেকিস্তানে জয়, হার, ড্র যেকোনও ফলই হতে পারে। আমরা লড়াই করতে চাই।’
ফিফা র্যাংঙ্কিংয়ে ইরান ৭২ ও জর্ডান ৬২তম অবস্থানে আছে। ছোটন প্রতিপক্ষদের সমীহ করে বলেছেন, ‘এশিয়ান কাপে ইরান ও জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচ। দুটি দলেই অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আমাদের চেয়ে বেশি। শারীরিক সামর্থ্যেও এগিয়ে। আমাদের লক্ষ্য থাকবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ খেলা।’
২৩ সদস্যের দলে তিন নতুন মুখ- সোহাগী কিসকু, সাথী বিশ্বাস ও নাসরিন আক্তার। দলটির অধিনায়ক সাবিনা খাতুন দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে বলেছেন, ‘নেপালের দুটি ম্যাচে আমরা আমাদের সামর্থ্য সম্পর্কে বুঝতে পারবো। উজবেকিস্তানেও তখন তা কাজে লাগিয়ে ভালো করার চেষ্টা থাকবে।’
বাংলাদেশ দল: ইয়াসমিন আক্তার, মাসুরা পারভীন, নার্গিস খাতুন, নিলুফা ইয়াসমিন নিলা, শামসুন্নাহার (জুনিয়র), শিউলি আজিম, মিশরাত জাহান মৌসুমি, মারিয়া মান্দা, মনিকা চাকমা, কৃষ্ণা রানী সরকার, সানজিদা আক্তার, মার্জিয়া, সিরাত জাহান স্বপ্না, সাবিনা খাতুন, শামসুন্নাহার (সিনিয়র), তহুরা খাতুন, সোহাগী কিসকু, সাথী বিশ্বাস, নাসরিন আক্তার, আনুচিং মোগিনি, রিতু পর্না চাকমা, রুপনা চাকমা ও আঁখি খাতুন।









