শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে একাধিক সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু একটির বেশি গোল আসেনি। এ নিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) পাঠানো ভিডিও বার্তায় গোলকিপার আনিসুর রহমান জিকো হতাশা লুকাননি।
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মালদ্বীপের মালে জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ পিছিয়ে থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। ভারতের বিপক্ষে ১০ জন নিয়ে বুক চিতিয়ে লড়াই করে ম্যাচ শেষ করেছে ১-১ গোলের ড্রতে। তবে একাধিক গোল পেলে থাকতো জয়ের সম্ভবনা। জিকো সেটাই তুলে ধরে বলেছেন, ‘আমরা এখন পজিটিভ ফুটবল খেলছি। চেষ্টা করছি সবাই পাসিং ফুটবল খেলার। ভারত অবশ্যই ভালো দল। তারা র্যাঙ্কিংয়ে আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে। আগের ম্যাচগুলোতে পার্থক্য গড়ে দিচ্ছিল সুনিল ছেত্রী। কিন্তু ওদের বিপক্ষে আমরা অনেক সুযোগ তৈরি করেছি। যদি কাজে লাগাতে পারতাম, তাহলে ম্যাচটা আমরা জিততে পারতাম। এখন সামনে মালদ্বীপের বিপক্ষে ম্যাচ, আমরা ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চাই।’
সাফে বাংলাদেশ-মালদ্বীপের সবশেষ দেখা ২০১৫ সালে। কেরালার সেই আসরে ৩-১ গোলে হেরেছিল মারুফুল হকের দল। মালদ্বীপের দলে আছেন আলি আশফাক ও আলি ফাসিরের মতো নির্ভরযোগ্য ফরোয়ার্ড।
বাংলাদেশ গোলকিপার জিকোর তাই সতর্কবার্তা, ‘ফরোয়ার্ডদের গোল করতে হবে। তবে ডিফেন্ডাররাও গোল করতে পারে। আসল কথা, যে কেউই গোল করলে সেটা দলের জন্য ভালো। সামনে মালদ্বীপের বিপক্ষে খেলা, ওদের দলে আলি আশফাক, আলি ফাসিরের মতো ফরোয়ার্ড আছে, কিন্তু ওদের রক্ষণভাগ আমাদের চেয়ে ভালো না। যদি আমরা সুযোগ কাজে লাগাতে পারি, তাহলে ম্যাচটা বের করে নিতে পারবো।’
এজন্য আগের দুই ম্যাচের ধারাবাহিকতা চাইছেন বসুন্ধরা কিংসের গোলকিপার, ‘আমরা শেষ দুটো ম্যাচ যেভাবে খেলেছি, সেভাবে যদি খেলতে পারি, মাঝমাঠে ভালো করতে পারি, তাহলে অবশ্যই আমরা ওদের ডিফেন্সকে আতঙ্কে রাখতে পারবো।’
ভারত ম্যাচে লাল কার্ড পাওয়ায় মালদ্বীপের বিপক্ষে খেলতে পারবেন না ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ ঘোষ। দুই হলুদ কার্ডের কারণে রাকিব হোসেনও নেই। জিকো বলছেন, ‘আমাদের রিপ্লেসমেন্ট যে খেলোয়াড় আছে, তারাও ১৯-২০। খুব বেশি পার্থক্য নেই। দলের মধ্যে একটা সমন্বয় চলে এসেছিল, কিন্তু ওরা (বিশ্বনাথ-রাকিব) না থাকায় কিছুটা দুর্বলতা দেখা দিতে পারে।’








