বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে (বাফুফে) চতুর্থবারের মতো সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কাজী সালাউদ্দিন। তার অধীনে নির্বাহী কমিটির এক বছর পূর্ণ হয়েছে। এবার বার্ষিক সাধারণ সভা করে নিজেদের আয়-ব্যয়ের হিসাবও জানিয়ে দিয়েছে সালাউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন পরিষদ। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে নতুন বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাবও।
আজ (শনিবার) রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় সারাদেশ থেকে কাউন্সিলররা এসে যোগ দিয়েছিলেন। সেখানে গত বছরের আয় দেখানো হয়েছে ১৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। ব্যয় ছিল ২৩ কোটি ২২ লাখ। ঘাটতি ৮ কোটি। এছাড়া ২০২২ সালের সম্ভাব্য আয়-ব্যয়ের হিসাবও দেওয়া হয়েছে।
নতুন বছরে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। যদিও আয় ২৪ কোটি টাকার মতো। ১৭ কোটি টাকার ঘাটতি রয়েছে এখানেও।
বার্ষিক সভা শেষে সংবাদমাধ্যমের সামনে বাফুফে সভাপতি সালাউদ্দিনের কণ্ঠে সন্তুষ্টি ঝরলো, ‘শেষ এক বছরের কর্মকাণ্ড উপস্থাপন করেছি। ভবিষ্যতের বাজেট দিয়েছি। সবাই অনুমোদন দিয়েছে। কার কী সমস্যা আছে, এটা নিয়েও আলোচনা করেছি। শান্তিপূর্ণভাবে কংগ্রেস হয়েছে। আমরা খুশি সবাই।’
বার্ষিক সাধারণ সভার দিনে জাতীয় দলের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়েছে সালাউদ্দিনকে। বিশেষ করে স্থায়ী কোচ নিয়োগ প্রসঙ্গে। তিনি জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ দিয়ে কাজ চলছে, একই সঙ্গে ভবিষ্যতে স্থায়ী কোচ নিয়োগেরও ইঙ্গিত দিয়েছেন।
বাজেট বড়। আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি। মূলত বাজেটের বড় সংস্থান হয়ে থাকে ফিফা-এএফসি থেকে প্রাপ্ত অনুদান থেকে। এছাড়া পৃষ্ঠপোষকদের কাছ থেকেও ভালো সাড়া পেয়ে থাকে বাফুফে। বাজেট ঘাটতি নিয়ে সিনিয়র সহ-সভাপতি সালাম মুর্শেদী বলেছেন, ‘কোভিডের কারণে গতবার পৃ্ষ্ঠপোষকদের কাছ থেকে সেভাবে সাড়া পাইনি। তবে সবার সার্বিক সহযোগিতায় খেলা চালিয়েছি। সামনের দিকেও আশা করছি সবার কাছ থেকে সহযোগিতা নিয়ে খেলাগুলো ঠিকঠাক মতো চালাতে পারবো।’
বাফুফের বাজেটের বড় অংশ ব্যয় হবে জাতীয় দল, প্রিমিয়ার লিগ ও জেলা ফুটবলের কার্যক্রমে। সংস্থাটির সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ বলেছেন, ‘জাতীয় দল, প্রিমিয়ার ফুটবল ও জেলা ফুটবল- মূলত এই সব জায়গায় জোর দেওয়া হবে। যার যার জায়গায় জেলা লিগ হবে। আমরাও তাদের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছি।’









