প্রতিটি টুর্নামেন্টের আগে সাফল্যের কথা বলে যান ফুটবলাররা। শ্রীলঙ্কাতে অনুষ্ঠেয় চারজাতি প্রতিযোগিতার আগেও এর ব্যতিক্রম হলো না। কাল শুক্রবার সকালে দেশ ছাড়ার আগে নিজেদের লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন, লাল-সবুজ দলের কোচ ও অধিনায়ক।
ঢাকা থেকে কলম্বো যাচ্ছে ১৬ জন খেলোয়াড়। আর উজবেকিস্তান থেকে অনূর্ধ্ব-২৩ দলের মিশন শেষে ৭ জন খেলোয়াড় সেখানে যোগ দিচ্ছে। পুরো দল দুই দিন অনুশীলন সেরে আগামী ৮ নভেম্বর সেশেলসের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে। ১১ নভেম্বর মালদ্বীপ এবং তিন দিন পর স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে জামাল ভূঁইয়ারা।
আর এই টুর্নামেন্ট দিয়েই প্রথমবারের মতো কোচিংয়ের দায়িত্ব পেয়ে মারিও লেমস রোমাঞ্চিত। আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে বলেছেন, ‘জাতীয় দলের কোচ হিসেবে এখন আমার ওপর অনেক বড় দায়িত্ব। দেখুন, আবাহনী এবং জাতীয় দল আমার ক্যারিয়ারকে অন্য একটা পর্যায়ে নিয়ে গেছে। এ কারণে বাংলাদেশের কাছে আমি ভীষণ কৃতজ্ঞ। তাই আমারও দায়িত্ব আছে কিছু ফিরিয়ে দেওয়ার। আমি সেটা দিতে চাই।’
সবশেষ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে রাউন্ড রবিন লিগ পর্ব পেরোতে পারেনি বাংলাদেশ। এবার কতুটুকু সফলতা পাবে? উত্তরে অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া অতীত নিয়ে পড়ে থাকতে নারাজ, ‘অতীতে কী হয়েছে, সেটা নিয়ে আমি কথা বলি না। কেননা, ওটা চলে গেছে। ওই ম্যাচগুলো আমরা আবার খেলতে পারবো না।’
বিশ্বনাথ ঘোষ, বিপলু আহমেদ, সোহেল রানা, কাজী তারিক রায়হান ও মতিন মিয়া-এই পাঁচ জন সাফে খেললেও শ্রীলঙ্কাগামী দলে নেই। জায়গা হয়নি মিডফিল্ডার মাশুক মিয়া জনিরও। তারপরও জামাল বর্তমান দলকে খর্বশক্তির মনে করেন না, ‘‘যে দল যাচ্ছে, সেটা বাংলাদেশ দল, মূল দল। কোন ‘বি’ টিম,‘ সি’ টিম নেই। মালদ্বীপের বিপক্ষে অতীতের ম্যাচ নিয়ে একজন খেলোয়াড় হিসেবে আমি ভাবি না। সবসময় ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবি। ভবিষ্যৎ হচ্ছে, মালদ্বীপের বিপক্ষে আমাদের একটা ম্যাচ আছে। শ্রীলঙ্কা ও সেশেলসের বিপক্ষেও সামনে ম্যাচ আছে। সামনের ম্যাচগুলোর দিকে তাকিয়ে আছি।’









