অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার শট বা দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে রুখে দিয়ে গোলকিপার শহিদুল আলম সোহেল ম্যাচের জয়ে অন্যতম নায়ক। শুধু জামালের নয়, রুয়ান্ডার ডিফেন্ডার এমেরি বেইসেঙ্গের শটও রুখে দিয়েছেন এই অভিজ্ঞ গোলকিপার। ফেডারেশন কাপে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে সাইফকে হারিয়ে আবাহনী ফাইনালে উঠেছে। যদিও ম্যাচ সেরার পুরস্কার উঠেছে রাশিয়া বিশ্বকাপে খেলা কোস্টারিকার ফরোয়ার্ড দানিয়েল কলিনদ্রেসের হাতে।
তবে পুরস্কার হাতে নিয়ে মঞ্চেই সোহেলকে ডেকে নিয়ে নিজের পুরষ্কার তুলে দিয়ে সবাইকে অবাক করে দেন কলিনদ্রেস!
নির্ধারিত ১২০ মিনিটের ম্যাচটিতে অন্যদের সঙ্গে কলিনদ্রেস পরিশ্রম করে খেলেছেন। একটি গোলও পেয়েছেন ৩৬ বছর বয়সী তারকা। তবে ম্যাচ শেষে আবাহনীর পর্তুগিজ কোচ মারিও লেমস প্রকারান্তরে সবার প্রশংসাই করলেন। ড্রেসিং রুমে থেকে বেরিয়ে একফাঁকে বাংলা ট্রিবিউনকে ৩৫ বছর বয়সী কোচ বলেন, ‘সবার পরিশ্রমের কারণে এই ম্যাচে জয় পেয়েছি। খেলোয়াড়দের ওপর বিশ্বাস ছিল, তারা পারবে। পেরেছেও। আমার দলে সবাই ভালো খেলেছে। গোলকিপার শহিদুল দারুণ খেলেছে। কলিনদ্রেসসহ অন্যরাও ভালো খেলেছে।’
ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার দোরিয়েন্তন চোটের কারণে সেমিফাইনালে খেলতে পারেননি। তার অভাব অনুভূত হয়েছে। বিশেষ করে জীবন-রাকিবরা সুযোগ নষ্ট করেছেন। লেমস অবশ্য বলেছেন, ‘দোরিয়েন্তন থাকলে ম্যাচটা জিততে কিছুটা সহজ হতো। এখন তো চোটের ওপর কারও হাত নেই। অন্যরা কঠোর পরিশ্রম করে দলকে জিতিয়েছে।’
আগামী ৯ জানুয়ারি রহমতগঞ্জের বিপক্ষে ফাইনাল খেলবে আবাহনী। ফাইনাল নিয়েও লেমস আশাবাদী, ‘ট্রফির জন্য আমরা খেলবো। আমি আত্মবিশ্বাসী। জিততে পারবো।’









