নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার সানডে চিজোবার সঙ্গে আবাহনীর সম্পর্কটা এখন অতীত। উঁচুমানের খেলোয়াড় আনায় সানডেকে বিদায় করে দিয়েছে। সানডের নতুন ঠিকানা এখন রহমতগঞ্জ। তবে দলবদল করলেও ফেসবুকে সাবেক ক্লাবের ছবি রেখে দিয়েছেন নিজের প্রোফাইলে। সেখানে আবাহনীর উল্লাসের ছবি এখনও দৃশ্যমান!
এই মৌসুমে ফেডারেশন কাপ দিয়ে সানডের নতুন করে পথচলা শুরু। নতুন মিশনে খারাপও করছেন না ৩২ বছর বয়সী স্ট্রাইকার। এখন পর্যন্ত তিন গোল করেছেন। ফেডারেশন কাপে তার দল রহমতগঞ্জও ফাইনাল খেলছে দ্বিতীয়বার। আগামী ৯ জানুয়ারি ট্রফি জয়ের মঞ্চে যাদের প্রতিপক্ষ আবাহনী লিমিটেড।
অথচ ২০১৭ সাল থেকে ২০২১ পর্যন্ত আবাহনীই ছিল সানডের ঠিকানা। এই জার্সিতেই ৫১ ম্যাচে ৪৩টি গোল করেছেন। পেয়েছেন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ। এবার সাবেক দলের বিপক্ষেই মাঠে নামতে হচ্ছে। সানডে একটু হলেও নস্টালজিক। বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘এটাই ফুটবল, এখানে এমনই হয়ে থাকে। গত লিগে ৯ গোল করেছিলাম আবাহনীর হয়ে। এবারও লক্ষ্যভেদ করতে চাইছি।’
তবে পুরনো স্মৃতি ভুলে এখন বর্তমানে থাকতে চাইছেন তিনি। পেশাদারিত্বের সবটুকু উজাড় করে দিতে চাইছেন। সেমিফাইনালে মোহামেডানের বিপক্ষে এক গোল পেয়েছেন। ফাইনালে সাবেক ক্লাব আবাহনীর বিপক্ষেও গোল চাইছেন এই ফুটবলার, ‘গোল করার দিকে দৃষ্টি থাকবে। আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।’
সানডেকে নিয়ে এখন সতর্ক থাকতে হচ্ছে আবাহনীকেও। বিশেষ করে কোচ মারিও লেমস ভালো করেই জানেন, সানডে কতটা বিপজ্জনক। তাই সানডের প্রশংসা করে আবাহনী কোচ বলেছেন, ‘সানডে ভালো স্ট্রাইকার। আমাদের দলে অনেক দিন খেলেছে। তাকে নিয়েও ফাইনালে চিন্তা করতে হবে। ও খেলার মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।’
অবশ্য ফেডারেশন কাপে তিন গোল করা ঘানার আরেক ফরোয়ার্ড ফিলিপ আযহা ও সানডে চিজোবাকে নিয়ে আবাহনীকে আলাদা পরিকল্পনা করতে হবেই। তা নাহলে যে আবাহনীর জন্য ১২তম শিরোপা কঠিন হয়ে পড়বে! আর সানডে সফল হতে পারলে দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে জায়গা করে নেওয়া রহমতগঞ্জও ট্রফি উঁচিয়ে ধরবে। তখন ফেসবুকে প্রোফাইল ছবি বদলানোর বড় উপলক্ষ পেয়ে যাবেন। হয়তো এই দিনের অপেক্ষাতেই আবাহনীর ছবিটি সরিয়ে নেননি সানডে!









