আক্রমণের পর আক্রমণ, শটের পর শট, কিন্তু সবই হলো যেন পরিকল্পনা ছাড়া। ছন্নছড়া ফুটবলে ফিনিশিংয়ের দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে ধরা দিলো বার্সেলোনার খেলায়। তাই চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে আগেই ছিটকে যাওয়া কাতালানরা ইউরোপা লিগ নিয়েও শঙ্কায়! প্রতিযোগিতাটির রাউন্ড অব থার্টি টুর প্রথম লেগে পিছিয়ে পড়ার পরও তারা সমতায় ফেরে ফেরান তোরেসের লক্ষ্যভেদে। বল জালে জড়ানো এই ফরোয়ার্ডের চোখ বেয়ে তবু জল নেমে আসে রেফারির শেষ বাঁশি বাজার পর!
বৃহস্পতিবার রাতে ন্যু ক্যাম্পে ইউরোপা লিগের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছে। সফরকারী নাপোলি শুরুতে এগিয়ে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধে পেনাল্টি গোলে সমতায় ফেরে বার্সেলোনা। ড্র করে মাঠ ছাড়লেও স্বস্তিতে নেই কাতালানরা। কারণ ফিরতি লেগ খেলতে যেতে হবে নাপোলির মাঠে। তাছাড়া সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স, বিশেষ করে আক্রমণভাগের দুর্বলতা বেশি করে ফুটে উঠছে। নাপোলি ম্যাচের আগে লা লিগায় এস্পানিওলের বিপক্ষেও ড্র করে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল বার্সাকে।
ন্যু ক্যাম্পে ম্যাচের শুরুর থেকে উল্টাপাল্টা শট করেছে বার্সেলোনা। বেশ কয়েকটি ভালো সুযোগও নষ্ট করে তারা। তবে ভুল করেননি নাপোলি। ধারার বিপরীতে গিয়ে তারা লিড নেয়। ২৯ মিনিটে ইতালিয়ান ক্লাবটিকে এগিয়ে নেন পিয়ৎ জেইলিনস্ক। পোলিশ এই খেলোয়াড়ের বাঁ পায়ে নেওয়া প্রথম শট প্রতিহত করেছিলেন মার্ক অ্যান্ড্রে-টের স্টেগেন। তবে তার ডান পায়ে নেওয়া ফিরতি শট আর ফেরাতে পারেননি বার্সা গোলকিপার।
নাপোলির এই গোলটি দ্বিতীয়ার্ধে গিয়ে শোধ দেন তোরেস। ৫৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে পাওয়া স্পট কিক থেকে জাল খুঁজে নেন চমৎকারভাবে। দলকে সমতায় ফেরানোর পরও চোখের জলে মাঠ ছাড়েন এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড। কারণ গোল করলেও মিস করেছেন আরও বেশি! ম্যানচেস্টার সিটি থেকে ন্যু ক্যাম্পে নাম লেখানো তোরেস গোটা ম্যাচ নষ্ট করেছেন চারটি ভালো সুযোগ। তাই রেফারির শেষ বাঁশি বাজার পর কান্নায় ভেঙে পড়েন মাঠেই।









