শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবের বেঁধে দেয়া আল্টিমেটামের আনুষ্ঠানিক জবাব দিতে কাল বিকেল সাড়ে তিনটায় বসছে বাফুফে ভবনে বৈঠকে বসবেন সংস্থাটির শীর্ষ কর্মকর্তারা।
বুধবার শেখ জামাল সভাপতি মনজুর কাদের এক সংবাদ সম্মেলনে বাফুফেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে তাদের চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়দের ফেরত দেওয়ার আহবান জানান। বাফুফে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
এ ব্যাপারে বাফুফে কী সিদ্ধান্ত নিল বা আদৌ কোনও সিদ্ধান্ত নেবে কিনা, জানতে চাইলে সংস্থাটির সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা মিডিয়ার মাধ্যমে আল্টিমেটামের কথা শুনেছি। বিভিন্ন পত্রিকা, টিভি চ্যানেল দেখে আমরা নোট করছি। সবগুলো বিষয় পর্যবেক্ষণ করে জবাব দেওয়া হবে। তবে এতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন। আমরা বিচ্ছিন্নভাবে কোনও কথা বলবো না। যা কিছু বলার সবার সামনে অথবা প্রেস রিলিজের মাধ্যমে জবাব দেওয়া হবে। আগামীকাল শুক্রবার বিকেলে বাফুফের শীর্ষ কর্মকর্তারা এ বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে বসবেন। ওই সভায় আলোচনার পর সঠিক জবাব দেওয়া হবে।’
আবু নাঈম সোহাগ আফসোসের সুরে বলেন, ‘বাফুফের কি কোনও অধিকার আছে কিংবা পৃথিবীর কোথাও এমন কি নিয়ম আছে যেখানে ফেডারেশন খেলোয়াড়দের কোন ক্লাবে দেয় কিংবা দল গড়ে দেয়। কে কোন ক্লাবে যাবে, এটি খেলোয়াড়দের ইচ্ছা। যে বিষয়গুলি উত্থাপিত হয়েছে, সেগুলো ইমোশনাল। পেশাদারিত্ব নেই। আবেগ দিয়ে বাফুফে চলে না। বাফুফে চলে ফিফার নির্দিষ্ট নিয়ম কানুনে।’
এএফসি কাপ খেলতে না পারলে শেখ জামাল মামলা করবে। ফিফার দ্বারস্থ হওয়ার কথাও বলেছে। এটা কতটুকু কার্যকর হতে পারে। এমন প্রশ্নে সোহাগ বলেন, ‘এটি নতুন কিছু নয়। বাংলাদেশে এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে। ফিফাকে নালিশ করার অধিকার তারা রাখে। তবে কিছু প্রসিডিউর আছে। যেগুলির মাধ্যমেই যেতে হবে। প্রথম ধাপে প্লেয়ার স্ট্যাটাস কমিটি, দ্বিতীয় ধাপে আপিল কমিটি, তৃতীয় ধাপে অ্যারবিটরি প্যানেল এবং সর্বশেষ ফিফার কাছে যেতে হবে। এই ধারায় না গিয়ে সরাসরি ফিফার কাছে গেলে তারা ফেডারেশনের কাছেই সমাধানের জন্য পাঠাবে। আর মামলা করলে বাফুফে নিয়ম অনুযায়ি আইনি লড়াই চালিয়ে যাবে।’
/আরএম/এমআর/








