ভারতের জামশেদপুরে গিয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন ফুটবলার-কর্মকর্তারা। আশার কথা, সেরে উঠে পুরোদমে অনুশীলন করছে নারী ফুটবল দল। সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ চ্যাম্পিয়নশিপে কাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় প্রথম ম্যাচও খেলতে নামবে তারা। প্রতিপক্ষ নেপাল। শিরোপা ধরে রাখার জন্য গোলাম রব্বানী ছোটনের দল প্রথম ম্যাচেই জয়ের স্বাদ পেতে চাইছে।
জয়ের লক্ষ্যে বুধবার নারী ফুটবল দল জামশেদপুরের টাটা ফুটবল অ্যাকাডেমিতে ঘণ্টা দেড়েক অনুশীলনও করেছে। তিন জাতির এই টুর্নামেন্টে নিজেদের ম্যাচ শুরুর আগে কোচ ছোটনকেও বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখা গেলো। নেপালের সঙ্গে সবশেষ সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ ফুটবলে গোলশূন্য ড্র করলেও এবার এই কোচের প্রত্যাশা, ‘আমরা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে কঠোর প্রস্তুতি নিচ্ছি। ভারতে আসার আগে তিনটি অনুশীলন ম্যাচও খেলেছি। এখন মাঠের খেলাতে নিজেদের প্রমাণের পালা। আশা করছি, আমরা তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারবো।’
টুর্নামেন্টে অন্য দলটি হলো স্বাগতিক ভারত। তাদের খুবই সমীহ করছেন বাংলাদেশ কোচ, ‘ভারত শক্তিশালী দল এবং ঘরের মাঠ থাকায় তাদের অনেক সুবিধা আছে। যেমন, সমর্থক, পরিচিত আবহাওয়া ও পরিবেশ। কিন্তু বাংলাদেশ তাদের সেরাটা দেবে। আমি মনে করি টুর্নামেন্টটি খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। কারণ তিনটি দলই খুব শক্তিশালী।’
টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে ভারত ৭-০ গোলে নেপালকে হারিয়েছে। তাই প্রতিপক্ষ সম্পর্কে একটা আগাম ধারণা পেয়েছে বাংলাদেশ। ছোটন নিজেও যেমনটা বলছেন, ‘ভারত ও নেপাল সবসময়ই শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। আমাদের মেয়েরা গত কয়েকটি সাফ টুর্নামেন্টে ভালো ফলাফল করেছে। এটা আমাদের জন্য ভালো যে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলছি। কারণ, এটি আমাদের উভয় দলকে ভালোভাবে বুঝবার এবং খেলার কৌশল প্রস্তুত করার সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করে দেবে।’









