ভারতের এটিকে মোহনবাগানের কাছে হেরে এএফসি কাপের চূড়ান্ত পর্বে যাওয়া হয়নি আবাহনীর। কলকাতার যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে যেভাবে লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি ছিল, সেভাবে হয়নি। প্লে-অফে ৯০ মিনিটের ম্যাচটি ৩-১ গোলে হেরে ছিটকে যেতে হয়েছে। চূড়ান্ত পর্বে উঠতে না পারার হতাশা নিয়েই বুধবার রাতে দেশে ফিরতে হচ্ছে মারিও লেমসের দলকে।
তবে এভাবে যে দল আত্মসমর্পণ করবে, তা হয়তো কেউ ভাবেনি। বিশেষ করে প্রথমার্ধে নিজেদের ভুলে দুই গোলে পিছিয়ে পড়া। দ্বিতীয়ার্ধে কলিনদ্রেসের গোলে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত থাকলেও শেষ পর্যন্ত ডেভিড উইলিয়ামসের হ্যাটট্রিক আবাহনীর জয়ের পথে কাঁটা বিছিয়ে দিয়েছে। আকাশি-নীল জার্সিধারীদের পর্তুগিজ কোচ মারিও লেমস তাই হতাশ কন্ঠে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘শুরুতে আমরা নিজেদের ভুলে দুই গোল হজম করে ফেলি। সেভাবে লড়াই করতে পারিনি। বিরতিতে খেলোয়াড়দের উজ্জীবিত করার চেষ্টা করেছি। তাতে করে একটি গোল শোধ দিয়ে ম্যাচে ফেরার সম্ভাবনা দেখা দেয়। কিন্তু উইলিয়ামস হ্যাটট্রিক করে ম্যাচের চিত্রই পাল্টে দিয়েছে।’
স্কোরলাইন ২-১ হওয়ার পর জুয়েল রানার শট দূরের পোস্ট দিয়ে যাওয়ায় হতাশা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে আবাহনীর। লেমসও তাই বলছেন, ‘ওটা ভালো সুযোগ ছিল। যদি জুয়েল তা কাজে লাগাতে পারতো। তাহলে স্কোরলাইন ২-২ হয়। আর ভালো দলের বিপক্ষে সহজেই গোল দিয়ে আসলে ম্যাচে ফেরা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।’
সুশান্ত ত্রিপুরা ও মনির আলমের জায়গায় আবাহনীর রাইট ব্যাক পজিশনে খেলেছেন মেহেদী হাসান রয়েল। কিন্তু তিনি ফরোয়ার্ড পজিশনে খেলতে অভ্যস্ত হওয়ায় রক্ষণে সুবিধা করতে পারেননি। তবে লেমসের কিছু করার ছিল না। রেজাউল করিম বাম পায়ের খেলোয়াড় বিধায় রয়েলকে বাছাই করতে হয়েছে। এছাড়া দোরিয়েল্তনের অভাবও বেশ অনুভূত হয়েছে। তার জায়গায় বসনিয়ার নেদো তুর্কোভিচ সুবিধা করতে পারেননি। দলটির ম্যানেজার সত্যজিত দাশ রুপু তাই আক্ষেপ করে বলেছেন, ‘দুটি গোল আমাদের কাছে মনে হয়েছে অফসাইড পজিশন থেকে করা। দ্বিতীয়ার্ধে ফেরার সুযোগ থাকলেও হয়নি। দোরিয়েল্তন থাকলে আসলে ভালোই হতো।’








