আগে গোল করে জয়ের স্বপ্ন দেখছিল ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান। প্রথমার্ধেই দুই গোল করে তাদের সেই স্বপ্ন কঠিন করে তুলে চট্টগ্রাম আবাহনী। দ্বিতীয়ার্ধের খেলাও হয়ে ওঠে আরও জমজমাট। তার পরেও ৬ গোলের ম্যাচে জিততে পারেনি চট্টগ্রাম আবাহনী। বরং ইনজুরি সময়ের গোলে তাদের জয় বঞ্চিত করেছেন হ্যাটট্রিক করা দিয়াবাতে। প্রিমিয়ার লিগে ম্যাচটি শেষ হয়েছে ৩-৩ গোলে।
কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়াম রবিবার ম্যাচ ঘড়ির ২ মিনিটে আবিদ হোসেনের এসিস্টে মোহামেডানকে এগিয়ে নেন সোলেমানে দিয়াবাতে।
পিছিয়ে থেকে ১৩ মিনিটে সমতায় ফেরে চট্টগ্রাম আবাহনী। গোলটি করেন শাখওয়াত হোসেন। ২৬ মিনিটে শাখওয়াত হোসেনই লক্ষ্যভেদ করলে এগিয়ে যায় বন্দরনগরীর দলটি। এবার পিটার থ্যাঙ্কগড গোল পেতে সহায়তা করেছেন।
বিরতির পর ম্যাচ জমে উঠে আরও। ৫৯ মিনিটে থ্যাঙ্কগড পেনাল্টি থেকে গোল করলে আরও এগিয়ে যায় চট্টগ্রাম আবাহনী। মোহামেডান তার পরেও খেই হারায়নি। ৬৮ মিনিটে সোলেমানে দিয়াবাতের গোলে তারা ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেয়। স্কোরলাইন তখন ৩-২।
ইনজুরি সময়ের শেষ দিকেই ম্যাচটা সমতায় নিয়ে আসেন সোলেমান দিয়াবাতে। মোহামেডানের হয়ে তৃতীয় গোল করে দলের এক পয়েন্ট নিশ্চিত করেছেন। তবে ম্যাচ শেষে খেলায় কিছুটা উত্তেজনা দেখা দিলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।
অপর দিকে রাজশাহীর মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্টেডিয়ামে উত্তর বারিধারা ২-০ গোলে হারিয়েছে স্বাধীনতা ক্রীড়া সংঘকে। মিশরের মোস্তফা কাহারবা পেয়েছেন জোড়া গোল। ম্যাচের ২৬ মিনিটে প্রথম গোল পায় বারিধারা। ইনজুরি সময়ের শেষ দিকে এসে দ্বিগুণ হয় ব্যবধান।
চট্টগ্রাম আবাহনী ১৪ ম্যাচে ৫ম ড্রয়ে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে আছে। মোহামেডান সমান ম্যাচে সপ্তম ড্রয়ে ২২ পয়েন্ট নিয়ে অবস্থান করছে ষষ্ঠ স্থানে। স্বাধীনতা ১৪ ম্যাচে ১০ম হারে আগের ৭ পয়েন্ট নিয়ে তলানিতেই আছে। বারিধারা সমান ম্যাচে তৃতীয় জয়ে ১১ পয়েন্ট নিয়ে নবম স্থানে উঠে এসেছে।









