বড্ড বিবর্ণ স্পেন। আক্রমণে ধার নেই, বারবার পজেশন হারানো, প্রেসিংয়ের অভাব- এককথায় এলোমেলো ফুটবল। এতকিছুর পরও যদি ফল পক্ষে আসতো, তবু কথা। কিন্তু না, জয়ের দেখা নেই লা রোজাদের। উয়েফা নেশনস লিগে ড্রয়ের বৃত্তে আটকে ছিল। অবশেষে তিনবারের চেষ্টায় সফল লুই এনরিকের দল। সুইজারল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়ে এবারের নেশনস লিগে প্রথম জয়ের দেখা পেয়েছে স্পেন।
মাত্র ১ গোলের ব্যবধানে জয় পেলেও, এটি স্পেনের জন্য অনেক কিছু। পর্তুগালের বিপক্ষে ১-১ গোলের ড্র দিয়ে নেশনস লিগ শুরু। পরের ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ২-২ গোলের ড্র। টানা দুই ড্রয়ের পর জয়ের আত্মবিশ্বাস সামনের ম্যাচগুলোতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেতে পারে। তাছাড়া সুইজারল্যান্ডের মাঠে গিয়ে জিতে আসা বাড়তি রসদ জোগাতে পারে তাদের আত্মবিশ্বাসে। কারণ ১৩ মিনিটে পাবলো সারাবিয়ার গোলে জয়টি এসেছে এমন দলের বিপক্ষে, যারা ঘরের মাঠে ছিল অপ্রতিরোধ্য। সুইসরা নিজেদের মাঠে ২০১৪ সালের পর এবারই প্রথম হারের তিক্ততা পেয়েছে।
টানা ২৩ ম্যাচ ঘরের মাঠে অপরাজিত থাকা দলের বিপক্ষে জিতে স্বভাবতই আনন্দিত কোচ এনরিকে। জয়ের ব্যবধান কম হলেও এই জয়ের ব্যাপকতা বুঝিয়েছেন তিনি এভাবে, ‘বিশ্বকাপে আছে সুইজারল্যান্ড, তারা আমাদের সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে, জানতাম। এই দল ঘরের মাঠে টানা ২৩ ম্যাচ হারেনি। অ্যাওয়ে ম্যাচ জেতা এমনিতেই কঠিন। সেখানে এই প্রতিপক্ষ...।’
খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স ও মানসিকতায় সন্তুষ্ট সাবেক বার্সেলোনা কোচ, ‘খেলা সবসময় ফল দিয়েই নির্ধারণ হয়। যে স্পিরিট খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিল, আমি খুশি। নিজেদের দিক থেকে চিন্তা করলে এই ম্যাচটি আমাদের জন্য ইতিবাচক।’ সঙ্গে যোগ করেছেন, ‘সুইজারল্যান্ড আট বছর ধরে, ২৩ ম্যাচ হারেনি নিজেদের মাঠে। তাদের হারানোর সুযোগ হয়েছে আমাদের।’
এই জয়ে নেশনস লিগের গ্রুপ-২-এর পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে স্পেন। ৩ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৫। স্প্যানিশদের চেয়ে ২ পয়েন্ট বেশি নিয়ে শীর্ষে পর্তুগাল। তৃতীয় স্থানে থাকা চেকের পয়েন্ট ৪। তবে চারে থাকা সুইজারল্যান্ড এখনও পয়েন্টের খাতা খুলতে পারেনি।









