এশিয়ান কাপ বাছাই ফুটবলে শক্তিশালী বাহরাইনের বিপক্ষে রক্ষণ জমাট করে খেলার চেষ্টা করেছে বাংলাদেশ। শুরুর প্রচেষ্টা অন্তত তেমনটাই ছিল। তার পরেও প্রথমার্ধে নিজেদের ভুলে হজম করেছে দুই গোল। দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও গোল শোধ দিতে পারেনি। তবে লড়াকু পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে বাংলাদেশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরার। তাই শনিবার তুর্কমেনিস্তানের বিপক্ষেও একই রূপ দেখতে চাইছেন শিষ্যদের।
কুয়ালালামপুরের বুকিত জলিল ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে বিকাল সোয়া ৩টা দুই দল মুখোমুখি হবে। দুই দলই হার দিয়ে শুরুটা করেছে। তাই গ্রুপে টিকে থাকতে হলে জয় ছাড়া বিকল্প নেই।
আগের ম্যাচে বাহরাইন চ্যালেঞ্জ সামলাতে না পারলেও কাবরেরা নিজেদের উদ্যম হারাচ্ছেন না। সংবাদ সম্মেলনে ৩৭ বছর বয়সী স্প্যানিশ কোচ বলেছেন, ‘বাহরাইনের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচের পর টেকনিক্যাল স্টাফদের সঙ্গে নিজেদের শক্তি নিয়ে এবং কোন জায়গায় উন্নতি করা দরকার সেসব নিয়ে আলোচনা করেছি। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে তুর্কমেনিস্তানের পারফরম্যান্সও পর্যালোচনা করেছি। আগামীকালকের ম্যাচের জন্য রিচার্জ হয়েছি, চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত। এখন কিছু পাওয়ার চেষ্টা করবো।’
বড় দলগুলোর বিপক্ষে জয়ের প্রত্যাশা নতুন নয়। তবে কাবরেরার চাওয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলা। কোচের কথাতেই পরিষ্কার, কালকের ম্যাচে লড়াকু ফুটবল থেকে তিনি দূরে সরছেন না, ‘সবসময় আমাদের লক্ষ্য জেতা। কিন্তু আবারও বলছি, আমাদের মূল চাওয়াটা হচ্ছে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলাটা খেলা। সবশেষ ম্যাচে আমরা খুবই লড়াকু ফুটবল খেলেছিলাম, তুর্কমেনিস্তান ম্যাচেও চাওয়া থাকবে সেই লাইন, পরিকল্পনা ধরে রাখা। কাল আমাদের সুযোগ আছে, এটা নিয়ে আমি আশাবাদী।’
তবে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ১৩৪তম স্থানে থাকা দলটিকে সমীহ করতে ভুল করছেন না এই কোচ, ‘ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের দিক থেকে তারা খুবই শক্তিশালী, আমাদের চেয়ে ৫৪ ধাপ এগিয়ে। কিন্তু আমি মনে করি মালয়েশিয়ার বিপক্ষে শুরুতে তাদের কিছু সমস্যা হয়েছিল। মালয়েশিয়ারও শুরুটা ছিল দারুণ। আমাদেরও ভালো খেলতে হবে।’
কোচের মতো অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও এই ম্যাচে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত আছেন। তাই লড়াইয়ের বার্তা দিয়ে রাখলেন তিনি, ‘সবার প্রস্তুতি ভালো। গতকাল দলের সবাইকে খুশি দেখেছি, তুর্কমেনিস্তান ম্যাচের জন্য সবাই প্রস্তুত। সবাই লড়াইয়ের জন্য মুখিয়ে আছে।’









