১৯৫৩ সালের ‘ম্যাচ অব দ্য সেঞ্চুরি’ ইতিহাস হয়ে আছে। র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর ইংল্যান্ড তখন ঘরের মাঠে অপরাজিত একটি দল। তাদের মাঠে সেই ইংলিশদেরই দম্ভ চূর্ণ করে তখনকার সোনালী প্রজন্ম কিংবদন্তি পুসকাসদের নিয়ে গড়া হাঙ্গেরি। ৬৯ বছর পর হাঙ্গেরি সেই দলটার কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। নেশন্স লিগে ইংলিশদের তারা আবার হারিয়ে দিয়েছে ৪-০ গোলে।
এইতো কিছুদিন আগে ইংলিশদের বিপক্ষে অতৃপ্তি ঘুচিয়েছে তারা। ১-০ গোলে হারিয়ে ৬০ বছর পর প্রথম জয় পেয়েছে। এবার তো ৬৯ বছর পর তুলে নিলো ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম অ্যাওয়ে জয়টিও। মলিনা স্টেডিয়ামে তাও আবার প্রতিপক্ষকে বিধ্বস্ত করে। সর্বশেষ ওয়েম্বলিতে ইংল্যান্ডকে ৬-৩ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল হাঙ্গেরি।
নেশন্স লিগে গতকাল শেষ ১০ মিনিট দুঃখ হয়েছিল ইংল্যান্ডের। সোল্ত ন্যাগি ও ড্যানিয়েল গাজডাগ শেষ দুটি গোল এই সময়েই তুলে নিয়েছেন। একই সময়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ইংল্যান্ডের জোন স্টোন্সও।
১৬ মিনিটে শুরুর গোলটি কনের রোল্যান্ড সালাই। ৭০ মিনিটে জোড়া গোলের দেখাও পেয়ে যান তিনি।
অবশ্য এই হারে হাঙ্গেরি যেমন নিজেদের অন্য রূপে চেনাচ্ছে। তেমনি বাজে পারফরম্যান্সের নজির সৃষ্টি করেছে ইংল্যান্ড। ঘরের মাঠে ১৯২৮ সালের পর সবচেয়ে বাজে ফল দেখালো তারা। তাতে কাতার বিশ্বকাপের আগে ইংলিশদের আত্মবিশ্বাসে জোর ধাক্কা লাগলো। সঙ্গে টানা চার ম্যাচ জয়হীন থাকার নজিরও গড়লো ২০১৪ সালের পর। এখন তো সাউথ গেটের শিষ্যরা ‘এ’ লিগের ৩ গ্রুপ থেকে অবনমনের শঙ্কায় রয়েছে।
৪ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে হাঙ্গেরি। সমান ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে জার্মানি। তিনে থাকা ইতালির পয়েন্ট ৫। সবার নিচে থাকা ইংল্যান্ডের ৪ ম্যাচে অর্জন মাত্র ২।









