নিকট অতীতে বড়রা পারেনি। শেষ পর্যন্ত দেরি করে হলেও জুনিয়রদের হাত ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলের ফাইনালে নাম লিখিয়েছে বাংলাদেশ দল। তাই সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালটা স্মরণীয় করে রাখতে চাইছেন লাল-সবুজ দলের সেনানীরা। শিরোপা মঞ্চে কাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ট্রফি জয়ে তাদের বাধা অন্যতম ফেভারিট ভারত। যারা আবার ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নও। লিগ পর্বে প্রতিযোগিতার সফল দলটিকে হারিয়েই বাংলাদেশ সবাইকে অবাক করে দিয়েছিল। দ্বিতীয়বার স্বাগতিকদের হারিয়ে শিরোপা স্বাদ নেওয়ার লক্ষ্য তানভীর-মিরাজুলদের।
ভুবনেশ্বরের কালিঙ্গা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ অপরাজিত থেকে ফাইনাল খেলছে। ৪ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট পেয়েছে পল স্মলির দল। বিপরীতে ভারত এক ম্যাচ হেরে অর্জন করেছে ৯ পয়েন্ট।
লিগ পর্বে ভারতকে ২-১ গোলে হারানোর গর্ব নিয়ে কাল আবারও নতুন করে লাল-সবুজ পতাকা ওড়াতে চাইছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক তানভীর হোসেন, ‘আমরা কোনও চাপ অনুভব করছি না। আগের মতোই নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে চাই। ভালো খেলেই শিরোপা জিতে দেশবাসীকে উপহার দিতে চাই। আশা করছি সাফল্য পাবো।’
এই দলটির কোচ বাফুফের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পল স্মলি। প্রথমবার দায়িত্ব নিয়েই দলকে ফাইনালে তুলেছেন। শিষ্যদের পারফরম্যান্সে এই অস্ট্রেলিয়ানও ভীষণ খুশি, ‘আমি মনে করি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলা, দেশকে প্রতিনিধিত্ব করা সবসময় চাপের। এই পর্যায়ের ফুটবল, লিগের খেলা, সবকিছুতেই চাপ আছে। ছেলেরা যা করেছে, অনেক ভালো করেছে।’
এখন ফাইনালে খেলার জন্যও যে ছেলেরা প্রস্তুত, সেটি মনে করিয়ে দিয়েছেন ৫৫ বছর বয়সী কোচ, ‘গ্রুপ পর্বে (রাউন্ড রবিন লিগ) আমরা কোনও ম্যাচ হারিনি। কঠিন মুহূর্ত এসেছিল, কিন্তু সেগুলো উতরাতে পেরেছি এবং আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল ফাইনাল খেলা, সেই মঞ্চেও উঠতে পেরেছি। ছেলেরা এখন মুখিয়ে আছে।’
বাংলাদেশ এই ম্যাচে ডিফেন্ডার শহীদুল ইসলামকে পাচ্ছে না। লাল কার্ড পাওয়ায় এই ম্যাচে থাকছেন না তিনি। বাংলাদেশ তাকে ছাড়াই লড়াই করতে প্রস্তুত, ‘ফুটবলে কার্ডের কারণে কিংবা চোটের কারণে খেলোয়াড় হারাতে হয়। এগুলোর সঙ্গে মানিয়েও নিতে হয়। যে স্কোয়াড নিয়ে আমরা এসেছি, সেখানে গভীরতা আছে। তো ফাইনালে অন্য যারা খেলবে, তাদের জন্য এটা সুযোগ। বাংলাদেশের সবার মতো এই ছেলেরাও ফাইনালের দিকে তাকিয়ে আছে।’









