বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক তিনি। দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ও। সেই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়ে দারুণ খেলে যাচ্ছেন সাবিনা খাতুন। নিজে খেলার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে সাবলীল খেলিয়ে যাচ্ছেন। চলমান সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। এই যাত্রায় সাবিনার অবদান অনেক। পেয়েছেন দুটি হ্যাটট্রিক। যার সবশেষটি সেমিফাইনালে ভুটানকে ৮-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার পথে।
কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে সাফের সব ম্যাচেই দুর্দান্ত খেলেছে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষ যেই আসুক না কেন, উড়ে যাচ্ছে খড়কুটোর মতো। সেখানে অগ্রভূমিকায় অধিনায়ক সাবিনা। প্রথম ম্যাচে মালদ্বীপের বিপক্ষে জোড়া গোল পেয়েছেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে এসেছে প্রথম হ্যাটট্রিক। আর আজ ভুটানের বিপক্ষে দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক করে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।
৮ গোল করে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন ২৮ বছর বয়সী সাবিনা। জাত স্ট্রাইকার হলেও তিনি কিন্তু ‘নাম্বার টেন’ পজিশনে খেলছেন এবার। পেছন থেকে গোলের উৎসে থাকছেন। আবার নিজে গোলও করে যাচ্ছেন।
এই টুর্নামেন্টে সাবিনাই যে সর্বোচ্চ গোলদাতা হতে যাচ্ছেন, তা একরকম বলে দেওয়া যায়। কেননা, দ্বিতীয় স্থানে থাকা খেলোয়াড়দের চেয়ে তিনি অনেকটা এগিয়ে। পাকিস্তানের নাদিয়া, ভারতের অঞ্জু ও বাংলাদেশের সিরাত জাহান ৪ গোল করে রয়েছেন সাবিনার নিচে। ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ যেই থাকুক না কেন, সেখানেও সাবিনার সুযোগ থাকবে গোল করার। তাই দেখার ‘গোলমেশিন’ বাংলাদেশ অধিনায়ক কোথায় থামেন?
এই তারকা ফরোয়ার্ড আগেই বলে রেখেছেন, ‘আমি দলের জয়ের জন্য খেলে থাকি। গোল পেলে তো ভালো লাগবেই।’
১৯ সেপ্টেম্বর ফাইনালে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো সাফের ট্রফি জিততে পারলে লেখা হবে নতুন ইতিহাস। একই সঙ্গে সাবিনা সর্বোচ্চ গোলদাতার আসন নিশ্চিত করলে সেটি হবে দারুণ প্রাপ্তি।









