এফএ কাপের সেমিফাইনালে দুই গোলকিপার ডেভিড ডি গিয়া ও রবার্ট সানচেজকে একের পর এক পরীক্ষা দিতে হয়েছে। ৯০ মিনিট শেষে দুজনই পাস, অতিরিক্ত সময়েও তারা গোলপোস্ট রেখেছেন অক্ষত। কিন্তু পেনাল্টি শুটআউটে দুই দলই প্রথম ছয়টি করে শটে জাল কাঁপায়। পার্থক্য গড়ে দেয় সপ্তম শট, সোলি মার্চ বল গোলবারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারেন। জবাবে ভিক্টর লিন্ডেলফ জাল খুঁজে পান। তাতে শুটআউটে ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ আলবিওনের বিপক্ষে ৭-৬ গোলের রোমাঞ্চকর জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।
আগামী ৩ জুন ওয়েম্বলিতেই হবে ফাইনাল এবং এটা হতে যাচ্ছে আগুন-বারুদে লড়াই। প্রথমবার ফাইনালে মুখোমুখি হবে ম্যানইউ ও ম্যানসিটি। আগের দিন শেফিল্ড ইউনাইটেডকে হারিয়ে শিরোপার লড়াই নিশ্চিত করেছিল সিটিজেনরা।
এফএ কাপে আর্সেনালের পর যৌথভাবে সর্বোচ্চ ২১তম ফাইনালে উঠলো ম্যানইউ। জয়সূচক গোল করা লিন্ডেলফ উচ্ছ্বসিত, ‘অনেক ভালো লাগছে। অনেক স্বস্তির জয় এবং আমরা ফাইনালে উঠতে পেরে আনন্দিত।’ কোয়ার্টার ফাইনালে সেভিয়ার কাছে বিব্রতকর হারের পর ইউরোপা লিগ থেকে বিদায় নেওয়ার পর সত্যিই অস্বস্তিতে ছিল ম্যানইউ।
অন্যদিকে আগের দুই দেখায় ম্যানইউকে হারানো ও সবশেষ ম্যাচে চেলসির বিপক্ষে জয় ব্রাইটনকে রেখেছিল আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে। ধারালো আক্রমণে ম্যানইউকে কয়েকবার অসুবিধায় ফেলেছিল তারা। তবে ডি গিয়া অসাধারণ সব সেভে দলকে বাঁচান। ব্রাইটন কিপার সানচেজকেও ব্যস্ত থাকতে হয়েছিল মার্কাস র্যাশফোর্ডকে থামানোর কাজে। শেষ পর্যন্ত ১২০ মিনিট শেষেও স্কোর থাকে গোলশূন্য।
টাইব্রেকারেও হয়েছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। পার্থক্য গড়ে দিয়েছে মার্চের মিস। তাতে ১৩তম শিরোপা হাতে নেওয়ার দোরগোড়ায় ম্যানইউ। ১২ বারের চ্যাম্পিয়নরা ফাইনালে সিটির মুখোমুখি হওয়ার আগে আত্মবিশ্বাস নিতে পারে ১৪ জানুয়ারির ম্যাচ থেকে। প্রিমিয়ার লিগে ওই দিন ২-১ গোলে সিটিকে হারায় ইউনাইটেড। এবারও কি একই ফলের প্রত্যাশা এরিক টেন হ্যাগের দলের, বলে দেবে সময়।









