ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসির প্রতিদ্বন্দ্বিতা কোন পর্যায়ের, তা না বললেও চলে। দুজনকে নিয়ে যেন ফুটবল বিশ্ব দুই ভাগে বিভক্ত। রোনালদোর সমর্থক মানেই যেন মেসি বিদ্বেষী, আর মেসি সমর্থকের মুখে আনা যাবে না রোনালদোর নাম! আর আর্জেন্টিনার কেউ রোনালদোকে আইডল মানবে, এমন কিছু ভাবা তো কল্পনার বাইরে। আর্জেন্টিনার নারী জাতীয় দলের ফরোয়ার্ড ইয়ামিলা রদ্রিগেজ পড়েছেন বিপদে।
সম্প্রতি বিশ্বকাপে ইতালির বিপক্ষে খেলতে গিয়ে পায়ের ট্যাটুর কারণে রোষানলে পড়েছেন আর্জেন্টিনার এই ফরোয়ার্ড। তার পায়ে বেশ কয়েকটি ট্যাটু, দৃশ্যমান আর্জেন্টাইন গ্রেট ডিয়েগো ম্যারাডোনা। কিন্তু তারই নিচে রোনালদোর ট্যাটু!
ইয়ামিলার পায়ে পর্তুগাল অধিনায়কের ট্যাটু দেখে তার গায়ে লেগে গেছে ‘মেসি বিদ্বেষী’ তকমা। বিষয়টি বেশিদূর গড়ানোর আগেই ব্যাখ্যা দিলেন তিনি।
ইনস্টাগ্রামে ইয়ামিলা লিখেছেন, ‘যথেষ্ট হয়েছে, আমার ভালো লাগছে না। কোন সময় আমি বলেছি যে আমি মেসি বিরোধী? যেটা আমি বলিনি, সেটা বলা বন্ধ করুন। কারণ সত্যি কথা হচ্ছে আমি ভালো খেলতে পারছি না (বিশ্বকাপের মাঝখানে, যখন আমি দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি)। আপনাদের জন্য যে খারাপ করছি তা নয়, কিন্তু আপনারা যে বাজে কথা বলছেন তার জন্য, কোনও শ্রদ্ধাবোধ নেই। একজনের কি আইডল থাকতে পারে না, কিংবা একজন পছন্দের খেলোয়াড়?’
দীর্ঘ পোস্টে তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমি কখনও বলিনি যে আমি মেসি বিরোধী এবং কখনও সেটা নয়। তিনি আমাদের জাতীয় দলের অধিনায়ক। আমি বলছি যে আমার অনুপ্রেরণা ও আইডল সিআরসেভেন (রোনালদো) মানে এটা নয় যে আমি মেসিকে ঘৃণা করি। আমার কাছে আমি (আমরা সবাই ভিন্ন কিছু পছন্দ করি) সেই খেলোয়াড়দের বেশি পছন্দ করি যে আমাকে অনুপ্রাণিত করে।’
ব্রাজিলের এসই পালমেইরাস ক্লাবে খেলা ইয়ামিলা লিখেছেন, ‘সমস্যা কী? আমরা সবাই আমাদের নিজের দেশের খেলোয়াড়দের ভালোবাসতে বাধ্য নই। দয়া করে বুঝতে চেষ্টা করুন, এটা ফুটবল এবং সবারই তাদের নিজস্ব পছন্দ আছে এবং একজন খেলোয়াড়কে উপরে রাখা মানে আরেকজনকে নিশ্চিহ্ন করে ফেলা নয়।’









