এই বছরের শুরু থেকে একের পর এক বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় খেলোয়াড়দের আকর্ষণীয় বেতনে নিয়ে যাচ্ছে সৌদি আরবের বিভিন্ন ক্লাব। ইউরোপ ছেড়ে সৌদি প্রো লিগে পা রেখেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, করিম বেনজেমা ও এন’গোলে কাঁতের মতো তারকারা। এই তালিকা আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আরও লম্বা হলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। কারণ সৌদি ফুটবলের ট্রান্সফার উইন্ডো ইউরোপের তুলনায় বেশ বড়। আর এই বিষয়টি নিয়ে দুশ্চিন্তার ভাঁজ লিভারপুল কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপের কপালে।
জার্মান কোচ ফুটবল কর্তৃপক্ষকে এই বিষয়টির সমাধানের ব্যবস্থা করতে বললেন। তার মতে, সৌদি লিগের ট্রান্সফার উইন্ডো ইউরোপিয়ান ক্লাবগুলোর ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
জার্মান চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে প্রাক-মৌসুমের প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হওয়ার আগে সিঙ্গাপুরের সংবাদ সম্মেলনে ক্লপ এই উদ্বেগের কথা জানান। সাবেক লিভারপুল স্ট্রাইকার সাদিও মানে বায়ার্ন ছেড়ে সৌদি ক্লাব আল নাসরে যোগ দিচ্ছেন, এনিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে এই ব্যাপারে মুখ খোলেন তিনি।
গত কয়েক সপ্তাহে লিভারপুল থেকেও তিন তারকা সৌদিতে পাড়ি জমিয়েছেন। জর্ডান হেন্ডারসন ও রবার্তো ফিরমিনোর পর সোমবার আল ইত্তিহাদে চুক্তি করেছেন ফ্যাবিনহো।
সৌদি ক্লাবগুলো চাইলে সামনের দিনগুলোতে আরও ফুটবলারকে চুক্তি করতে পারবে। কারণ তাদের দলবদলের বাজার চলে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, ইউরোপে ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হওয়ারও তিন সপ্তাহ পর। এখানেই ক্লপের উদ্বেগ। এতে করে ইউরোপের ক্লাব তাদের শূন্যতা পূরণে উপযুক্ত কাউকে পেতে ভুগবে।
ক্লপ বলেছেন, ‘সৌদি আরবের প্রভাব? আমরা দেখবো। আমি জানি না। এই মুহূর্তে দেখে মনে হচ্ছে তাদের প্রভাব আছে, এটা বিশাল।’
জার্মান কোচ ব্যাখ্যা দিলেন, ‘আমি মনে করি সবচেয়ে বাজে ব্যাপার হলো সৌদি আরবের ট্রান্সফার উইন্ডো তিন সপ্তাহ বেশি খোলা থাকে। যদি আমি ঠিক থাকি, আমি এরকম কিছুই শুনেছি। এমন কিছু হলে অন্তত ইউরোপের জন্য ভালো ব্যাপার হবে না। তাই উয়েফা ও ফিফাকে অবশ্যই এর সমাধান খুঁজতে হবে।’
তিনি আরও বলে গেলেন, ‘কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঠিক কী হবে, এই মুহূর্তে আমি জানি না। এটা প্রভাবশালী, আমাদের জন্য, নিঃসন্দেহে। এটি মোকাবিলা করা শিখতে হবে আমাদের, এটাই আমরা করতে পারি। আমি এই বিষয়ে এতটুকুই বলতে পারি, সময়ই বলে দেবে।’








