জার্মানি লিজেন্ড বেকেনবাওয়ার আর নেই

স্পোর্টস ডেস্ক
০৮ জানুয়ারি ২০২৪, ২৩:৪০আপডেট : ০৮ জানুয়ারি ২০২৪, ২৩:৫২

সর্বকালের অন্যতম  সেরা ফুটবলার ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার মারা গেছেন। ৭৮ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন পশ্চিম জার্মানির সঙ্গে খেলোয়াড় ও কোচ হিসেবে বিশ্বকাপ জেতা এই জার্মানি লিজেন্ড। ৭৮ বছর বয়সে মৃত্যুকে বরণ করেছেন তিনি।

জার্মান সংবাদ সংস্থা ডিপিএ বলেছে, এক বিবৃতিতে বেকেনবাওয়ারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে তার পরিবার। তাতে বলা হয়েছে, ‘গভীর মর্মবেদনার সঙ্গে আমরা ঘোষণা করছি আমার স্বামী ও আমাদের বাবা ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার গতকাল রাতে সোমবার শান্তিপূর্ণভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন।’

মিউনিখে জন্ম নেওয়া বেকেনবাওয়ার জার্মান ফুটবলে ছিলেন খেলোয়াড়, কোচ ও কর্মকর্তা হিসেবে। ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ ও জাতীয় দলের সঙ্গে তার নেতৃত্বগুণের কারণে ‘ডার কাইজার’ নামে পরিচিত, যার অর্থ ‘সম্রাট’। পেলে তাকে নিয়ে বলেছিলেন, ‘আমার দেখা সেরা খেলোয়াড়দের একজন’।

১৯৭২ ও ১৯৭৬ সালে ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন বেকেনবাওয়ার। ২০০০ সালে জার্মানির শতাব্দির সেরা ফুটবলার নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালে ফিফা সেনটান্নিয়াল প্লেয়ার অ্যান্ড ফুটবল পার্সোনালিটি অ্যাওয়ার্ড জেতেন।

জার্মানির হয়ে ১৯৬৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ১৯৭৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১০৩ ম্যাচ খেলেছেন বেকেনবাওয়ার। ১৯৭২ সালে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ ও ১৯৭৪ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জয়ী জার্মানির সোনালি প্রজন্মের নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।

ক্লাব পর্যায়ে জার্মানিতে বায়ার্ন ও হ্যামবুর্গের হয়ে তিনি তিনটি ইউরোপিয়ান কাপ, একটি ইউরোপিয়ান কাপ উইনার্স কাপ, পাঁচটি বুন্দেসলিগা ও চারটি জার্মান কাপ জিতেছেন।

বায়ার্নের সঙ্গে ছাড়াছাড়ির পর বেকেনবাওয়ার পাড়ি জমান নিউইয়র্ক কসমসে। ১৯৭৭ সালে আমেরিকায় পা রেখে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানেন তিনি। ক্লাবটিতে সতীর্থ হিসেবে পেলেকে পেয়েছিলেন এবং জেতেন তিনটি এনএএসএল ট্রফি।

১৯৮০ সালে জার্মানিতে ফেরেন বেকেনবাওয়ার। খেলোয়াড় হিসেবে ক্যারিয়ারের শেষ ট্রফি জেতেন হ্যামবুর্গের সঙ্গে। তারপর কসমসে অল্প সময় থেকে ১৯৮৩ সালে ৩৮তম জন্মদিনের একদিন পর পেশাদার ফুটবল থেকে অবসর নেন।

পরের বছর বেকেনবাওয়ার জার্মানির প্রধান কোচ হন। দুইবার দলকে ফাইনালে তোলেন এবং ১৯৯০ সালে শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারায় তার দল।

কোচ হিসেবে তারপর মার্শেইতে যোগ দেন বেকেনবাওয়ার এবং ফ্রেঞ্চ লিগ শিরোপা ছুঁয়ে দেখেন। পরে বায়ার্নে দুই মেয়াদে আরও দুটি ট্রফি জেতেন তিনি।

ট্যাকটিশিয়ানের দায়িত্ব ছেড়ে বেকেনবাওয়ার বায়ার্নের প্রেসিডেন্ট হন। ২০০৯ সালে পদটি ছেড়ে দেন তিনি। তারপর অফিসিয়াল হিসেবে জার্মানিকে ২০০৬ সালের আয়োজক স্বত্ব অর্জনে সহায়তা করেন। ওইবার ৬৪ ম্যাচের মধ্যে ৪৬টি দেখতে হেলিকপ্টারে করে দেশ ঘুরেছেন তিনি।

/এফএইচএম/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
ঢাকায় ডেঙ্গুর চরম ঝুঁকিতে কোন ওয়ার্ড
ঢাকায় ডেঙ্গুর চরম ঝুঁকিতে কোন ওয়ার্ড
বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান, নিয়োগ পেলেন তিন কমিশনার
বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান, নিয়োগ পেলেন তিন কমিশনার
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের বিজয়ে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের বিজয়ে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন
ইরানে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: খামেনি
ইরানে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: খামেনি
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের