এশিয়ান কাপে ১৯৬০ সালে সর্বশেষ শিরোপা জেতা দক্ষিণ কোরিয়া দ্বিতীয় রাউন্ডেই ছিটকে যেত। টানা জম্বি ঘরানার ফুটবল খেলে শেষ পর্যন্ত নিশ্চিত করে সেমিফাইনাল। তাতে দীর্ঘদিন পর ‘দ্য টিগাক ওয়ারিয়র্সদের’ শিরোপা জয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু শেষ চারে অঘটনের জন্ম দিয়ে তাদের বিদায় করেছে জর্ডান। কোচ ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যান ২-০ গোলের এই লজ্জাজনক হারের দায় নিজের কাঁধে নিলেও পদত্যাগের কথা ভাবছেন না।
এশিয়ান কাপে দক্ষিণ কোরিয়া ফেভারিট হিসেবে অংশ নিয়েছিল। তার ওপর প্রতিপক্ষ জর্ডান ছিল র্যাঙ্কিংয়ে তাদের চেয়ে ৬৪ ধাপ পিছিয়ে। সেই দলটি এই আসরের সবচেয়ে বড় অঘটনের জন্ম দিয়েছে গতকাল। সাবেক জার্মান ও যুক্তরাষ্ট্র কোচ শিষ্যদের এই ফলাফলে বলেছেন, ‘কোনও দলে একটি টুর্নামেন্টে কেমন করে তার জন্য সব দায় কোচের। অবশ্যই আমাদের লক্ষ্য ছিল ফাইনাল। কিন্তু সেটা করতে পারিনি।’
ব্যর্থতা স্বীকার করে ক্লিন্সম্যান বলেছেন, ‘এটা স্বীকার করতে হবে। এমন ফলাফল মেনেও নিতে হবে। জর্ডান যেভাবে খেলেছে তাতে এটাই হওয়ার কথা ছিল।’
এক বছর আগে নিয়োগ পেলেও ক্লিন্সম্যান কোরিয়ান ভক্তদের মন জয় করতে পারেননি। তার ওপর এমন একটা দলের কোচ হয়েছেন, যাকে বলা হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার সোনালী প্রজন্ম। এই ব্যর্থতায় পদত্যাগ করবেন কিনা এমন প্রশ্নে দক্ষিণ কোরিয়া কোচ বলেছেন, ‘আমি এখন এসব কিছু করার পরিকল্পনা করছি না। এখন শুধু এই টুর্নামেন্ট বিশ্লেষণ করবো। কোরিয়ায় ফিরে যাওয়ার পর ফেডারেশনের সঙ্গে বসবো। আর তাদের জানাবো কী ভালো ছিল আর কোন দিকটা ভালো ছিল না।’









