বসুন্ধরা কিংস এবার নারী ফুটবল লিগে খেলছে না। তাই সাবিনা-সানজিদাদের দল পাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। শেষ মুহূর্তে নাসরিন স্পোর্টস একাডেমি চমক দেখিয়ে তাদের দলে ভিড়িয়েছে।
এবারের লিগে নাসরিনের হয়ে জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুনসহ সানজিদা আক্তার, মারিয়া মান্দা, শামসুন্নাহার জুনিয়র, শামসুন্নাহার সিনিয়র, ঋতুপর্ণা চাকমা, মনিকা চাকমা, মাসুরা পারভীন, শিউলি আজীম, মারজিয়া আক্তার, আনাই মগিনি, মাতসুসিমা সুমাইয়া, কৃষ্ণা রানী সরকার, নিলুফার ইয়াসমিন নিলা ও রুপনা চাকমা খেলবেন।
জাতীয় দলের ফুটবলার নিয়ে দল গড়তে অনেক অর্থের প্রয়োজন। হঠাৎ বড় দল গঠন নিয়ে একাডেমির কর্ণধার নাসরিন আক্তার বেবী বলেছেন, ‘আসলে আন্তরিকতাই বড় বিষয়। আমরা আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেছি, মেয়েদেরও ইচ্ছে ছিল। সব কিছু মিলিয়ে এটা সম্ভব হয়েছে। কিছু স্পন্সর পেয়েছি, কিছু জোগাড়ের চেষ্টা করছি।’
বসুন্ধরা কিংসের চেয়ে নাসরিন একাডেমিতে পারিশ্রমিক কম। অধিনায়ক সাবিনা খাতু নতুন দলে খেলা নিয়ে বলেছেন, ‘আমাদের সবাইকে এই দলে দেখে অনেকেই অবাক হচ্ছেন। আপনাদের মধ্যে অনেক প্রশ্নের ঘুরপাক খাচ্ছে। আমরা দিন শেষে ফুটবলার। ভালোবেসে, পেশাদারিত্বের টানেই খেলছি।’
নারী ফুটবল লিগে নাসরিন স্পোর্টিংয়ের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সিনিয়র ফুটবলাররা আতাউর রহমান কলেজে খেলবেন। সেখানে রয়েছেন ফরোয়ার্ড তহুরা খাতুনসহ আরও অনেকে। অধিনায়ক সাবিনা অন্য বড় দলগুলোকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে বলেছেন, ‘পুরুষ ফুটবলারদের একজনের পারিশ্রমিক দিয়ে একটি নারী দল গঠন করা যায়। ফেডারেশনের একার পক্ষে তো সম্ভব নয়। অন্য ক্লাবগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে।’
বাফুফের নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণও বড় দল লিগে না আসার ব্যাপারে অসহায়ত্ব প্রকাশ করলেন, ‘আমরা সবাইকে অনুরোধ করেছি, চাপ বা বাধ্য করতে পারি না। অনুরোধের চেয়ে বেশি কিছু করার নেই।’
এবারের নারী লিগে ৯ টি ক্লাব অংশগ্রহণ করছে। আর্মি স্পোর্র্টস ক্লাব শেষ মুহূর্তে দলবদলে অংশগ্রহণ করছে। বাকি আট ক্লাবের মধ্যে শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠিত ক্লাব ফরাশগঞ্জ। খেলা শুরু হবে এপ্রিলের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে।








