অলিম্পিকের মঞ্চ ক্রীড়াবিদদের মিলনমেলা। কিন্তু ফ্রান্স-আর্জেন্টিনার ম্যাচ শেষ হওয়ার পর দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতি-ধাক্কাধাাক্কি শুরু হয়ে যায়। এমন সংঘাতময় পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত ছিলেন না দুই দলের কোচ ও অধিনায়ক। আর্জেন্টিনার অধিনায়ক নিকোলাস ওতামেন্দি বললেন, তিনি ঘটনার আকস্মিকতায় ভিড়মি খেয়েছিলেন।
কোয়ার্টার ফাইনালে হারের পর এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির জন্য আর্জেন্টিনার ক্যাপ্টেন দায়ী করেছেন ফ্রান্সের ডিফেন্ডার লুইস বাদেকে। ওতামেন্দির ধারণা আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের পরিবারের সামনে গিয়ে বাড়াবাড়ি মাত্রার উদযাপন করেছিলেন তিনি।
ওতামেন্দি বলেছেন, ‘আমি খুব রাগান্বিত হয়েছিলাম যে, আমাদের পরিবারের সদস্যরা যেখানে ঠিক সেখানেই তাদের মুখের সামনে গিয়ে উদযাপন করছিল। তার যদি উদযাপন করতেই হয়, তাহলে আমরা যেখানে আছি সেখানে করতো। আমরা ওখানেই সমাধান করতাম। কোনও কিছু আলাপ করার থাকলে করতাম।’
পুরো ম্যাচেই আর্জেন্টিনা রোষানলে পড়েছিল। গ্যালারিতেও ছিল যুদ্ধাবস্থা। গ্যালারির যেখানে আর্জেন্টাইন দর্শকরা ছিলেন, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে দাঙ্গা পুলিশ বৃত্তাকারে অবস্থান করছিলেন।
এই সংঘর্ষ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফ্রান্সের কোচ থিয়েরি অঁরি, ‘আমি প্রতিপক্ষ কোচের সঙ্গে হাত মেলাতে গিয়েছিলাম, হঠাৎ দেখি অনেক কিছু ঘটে গেছে। এই ধরনের কিছু দেখতে ভালো লাগে না আমার, এটার দরকার ছিল না।’
জ্যা ফিলিপ্পে মাতেতা পঞ্চম মিনিটে একমাত্র গোল করেন। তাতে আর্জেন্টিনার অলিম্পিক পদক জয়ের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দেয় ফ্রান্স। তারা সেমিফাইনালে খেলবে মিশরের বিপক্ষে।









