মালদ্বীপের কাছে হেরে মাঠেই কিছু সময় কেউ দাঁড়িয়ে, কেউ বসে ছিলেন। হতাশায় নোয়া এক বাংলাদেশ। মুহুর্মুহু আক্রমণের পসরা সাজিয়ে গোল না পাওয়ার বেদনা কুড়ে কুড়ে কষ্ট দিচ্ছিল তপু-সাদকে। আর এক সেটপিস থেকে গোল করে আনন্দের বন্যা মালদ্বীপ শিবিরে। ম্যাচ শেষে তাই বাংলাদেশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরার কাছে হারটি কষ্টদায়ক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কিংস অ্যারেনাতে বাংলাদেশ আধিপত্য দেখিয়েও ম্যাচ জিততে পারেনি। একটি শট তো সাইড বারে লেগে প্রতিহত হয়। ম্যাচশেষে তাই স্প্যানিশ কোচ কাবরেরা বলেছেন, ‘ব্যাখ্যা করা সত্যি কঠিন। এই হার সত্যি কষ্টদায়ক। কারণ অনেক সুযোগ এসেছিল আমাদের সামনে। সেগুলো আমরা গোলে পরিণত করতে পারতাম, কিন্তু পারিনি। দলের পারফরম্যান্সে খুশি কারণ যেভাবে আমরা পরিশ্রম করেছি, খেলেছি সেটা ইতিবাচক দিক। এখনও অনেক কিছু পরিবর্তনের সুযোগ আছে। কিন্তু এই হার কোনও কিছু দিয়েই ব্যাখ্যা করা যাবে না। এখন থেকেই ইতিবাচক দিকগুলো নিতে হবে।’
এরপর যেন আক্ষেপ ঝরে পড়লো তার কণ্ঠ থেকে, ‘ভাগ্যের ব্যাপার নিয়ে কিছু বলতে পছন্দ করি না। আজ আমরা সবকিছু করেছি, সবকিছু। আপনি যদি পরিসংখ্যান রিপোর্ট দেখেন, তাহলে আমরা কতগুলা আক্রমণ করেছি, সুযোগ তৈরি করেছি সেসব দেখতে পাবেন। আমরা যেভাবে খেলেছি তাতে অন্তত ৩-৪ গোল করতে পারতাম। আমরা শুধু আজ গোলটাই পাইনি।’
দল হারলেও যে ভালো খেলেছে সেটাই বলে গেলেন কাবরেরা, ‘সেই ম্যাচের চেয়ে আমরা আজ ২০০ শতাংশেরও বেশি চেষ্টা করেছি। হারলেও আমরা আরও ভালো খেলেছি। আমরা কতগুলো সুযোগ তৈরি করেছি, অনেক ম্যাচের চেয়েও যেটা বেশি। প্রায় ৪০ ম্যাচ খেলেছি, মনে হয় সবগুলোর চেয়ে বেশি সুযোগ তৈরি করেছি আজ।’
গোলকিপার মিতুলকে কোনও দোষ দিতে চাইলেন না। সাফ জয়ী নারী দলের সঙ্গে দিতে চাইলেন না ছেলেদের কোনও তুলনা। ১৬ নভেম্বর ম্যাচে ঘুরে দাড়ানোর সংকল্প নিয়ে কিংস অ্যারেনা ছাড়লো বাংলাদেশ।









