৬ হাজার ১৮৫ দিনের রাজত্ব হারাতে হলো। শুরুটা হয়েছিল ২০০৭ সালের ১৭ ডিসেম্বরে, পেশাদার ফুটবলারদের ভোটে প্রথমবার ফিফপ্রো বিশ্ব একাদশে জায়গা করে নিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। তারই অবসান হলো ২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর। ৭০ দেশের খেলোয়াড়দের ভোটে নির্বাচিত বর্ষসেরা দলে নেই আর্জেন্টিনার মহাতারকা।
গত ১৭টি ফিফপ্রো একাদশে প্রত্যেকবার ছিল মেসির নাম, যা রেকর্ড। তার পরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৫ বার এই দলে জায়গা পান ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ২০০৬ সালের পর প্রথমবার তাদের দুজনের কেউই নেই এই ১১ জনের তালিকায়।
চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ী রিয়াল মাদ্রিদের ছয় জন এবং ম্যানচেস্টার সিটির চার জন ফিফপ্রো একাদশে নাম লিখেছেন। সর্বোচ্চ ১১ হাজার ১৭৬ ভোট পেয়েছেন মাদ্রিদ ক্লাবের মিডফিল্ডার জুড বেলিংহ্যাম। আক্রমণভাগে আছেন আর্লিং হাল্যান্ড, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। বর্ষসেরা পুরুষ দলে রিয়াল ও সিটির বাইরে কেবল লিভারপুল ডিফেন্ডার ভার্জিল ফন ডাইক আছেন।
ফিফপ্রো একাদশ: গোলকিপার- এদারসন (ম্যানসিটি); ডিফেন্ডার- দানি কারভাহাল (রিয়াল মাদ্রিদ), ভার্জিল ফন ডাইক (লিভারপুল), অ্যান্তোনিও রুডিগার (রিয়াল মাদ্রিদ); মিডফিল্ডার- জুড বেলিংহ্যাম (রিয়াল মাদ্রিদ), কেভিন ডি ব্রুইনা (ম্যানসিটি), টনি ক্রুস (রিয়াল মাদ্রিদ), রদ্রি (ম্যানসিটি); ফরোয়ার্ড- আর্লিং হাল্যান্ড (ম্যানসিটি), কিলিয়ান এমবাপ্পে (রিয়াল মাদ্রিদ), ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (রিয়াল মাদ্রিদ)।









