সন্ধ্যা থেকে একজন একজন করে হোটেলে আসছিলেন। তাদের সবার অবয়বে নতুন কিছু করে দেখানোর পণ। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে ১০ জুন সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচ। এর আগে ৪ জুন সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে লড়াই। দুটি ম্যাচই হবে ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে। তাই আজ থেকে লাল সবুজ দলের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। কাল শনিবার বিকাল থেকে হবে মাঠের অনুশীলন। তার আগে ২৪ জন খেলোয়াড় হোটেলে এসে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন। হাভিয়ের কাবরেরা খুশি মনে তাদের বরণও করে নিয়েছিলেন। জামাল-তপুদের কণ্ঠে ভুটান, সিঙ্গাপুর ম্যাচ জয়ের স্বপ্ন।
জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া কিন্তু ভারতের বিপক্ষে খেলতেই পারেননি। ক্যারিয়ার শেষ পর্যায়ে আছে। এই প্রসঙ্গে জামাল হোটেলে বলছিলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে, এটা (জায়গা পাওয়ার লড়াই) থাকবে। প্লেয়ার আসবে, যাবে, এটা ফুটবলের অংশ। আপনাদের পেশাতেও তো প্রতিদ্বন্দ্বিতা আছে। সব জায়গাতেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা আছে। সবশেষ ম্যাচ খেলতে পারিনি। এটা কোচের সিদ্ধান্ত। তবে এই ম্যাচের জন্য প্রস্তুত আছি ।’
এরপরই যোগ করেন তিনি, ‘আমি মনে করি, যে সময় চলছে (২০১৩ সালে আমি যখন এসেছিলাম, সেই সময়ের তুলনায়) অনেক কিছু বদলে গেছে। যখন আমি এসেছিলাম (বাংলাদেশের হয়ে খেলতে), তখন এত ফ্যাসিলিটিজ ছিল না। মিডিয়া হাইপ ছিল না। এত প্রত্যাশা ছিল না। আমি এটা খুব কাছ থেকে দেখছি।’
দুটি ম্যাচকে নিয়ে নিজেদের স্বপ্নের কথা জানালেন ৩৫ বছর বয়সী মিডফিল্ডার, ‘এটা (চারদিকের উন্মাদনা) আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার। আমি খুব রোমাঞ্চিত। অবশ্যই আমরা দুটি ম্যাচ জিততে চাই। ভুটানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ, এরপর সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে মূল ম্যাচ। সবে মাত্র লিগ শেষ হলো। সবাই ফিট আছে। আমি আশা করি, আমার দল ভালো করবে।’
সহধিনায়ক তপু বর্মণ সরাসরি বলেছেন, ‘আমরা ম্যাচটি জিততে চাই। জিতে গ্রুপে ভালো অবস্থানে থাকতে পারলে ভালো হবে। এছাড়া দলে হামজা, শমিত, ফাহামিদুল যোগ হয়েছে। এটা আমাদের জন্য বাড়তি অনুপ্রেরণা। দর্শকরা নতুন কিছু দেখতে পাবে।’
হামজা ও শমিত শিগগিরই দলের সঙ্গে যোগ দেবেন।









