‘আমরা একদিনও পাঙাশ মাছ খাওয়াই না’

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১১ আগস্ট ২০২৫, ১৭:৪৪আপডেট : ১১ আগস্ট ২০২৫, ২০:০৪

নারী ফুটবলে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বয়সভিত্তিক দল ছাড়াও সিনিয়র দলেরও জয়জয়কার। তবে নারী দলের ইতিবাচক পারফরম্যান্সের পাশাপাশি অন্যদিক নিয়েও কম আলোচনা হচ্ছে না। বিশেষ করে তাদের বেতন-ভাতা, খাওয়া ও আবাসস্থল নিয়ে। নারী উইং কমিটির চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ সোমবার এ নিয়ে নিজের মতো ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

ইতিহাস গড়ে ঋতুপর্ণারা এএফসি এশিয়ান কাপে জায়গা করে নিয়েছে। এরপর বয়সভিত্তিক আসরেও সাফল্য এসেছে। অনূর্ধ্ব-২০ আসরেও গ্রুপ সেরা হয়ে সাগরিকারা থাইল্যান্ডের মূল আসরে জায়গা করে নিয়েছেন। আজ মাহফুজা আক্তার কিরণ বাফুফে ভবনে নিজের রুমে বসে সংবাদ মাধ্যমকে মেয়েদের উন্নতি নিয়ে বলেছেন, ‘এখান থেকে একটা বিষয় প্রমাণ হয় আমাদের পাইপলাইন অনেক স্ট্রং। যে কারণে যে বছর সিনিয়র টিম কোয়ালিফাই করলো, একই বছর বয়সভিত্তিক টিমও কোয়ালিফাই করলো। এতে বুঝতে হবে বাংলাদেশ নারী ফুটবল সঠিক পথে আছে এবং ধারাবাহিকভাবে উন্নতি করছে।’

এশিয়ান কাপের জন্য মেয়েদের জাপানে অনুশীলন করার ইঙ্গিত দিয়েছেন কিরণ, ‘আমরা ১৩ তারিখ তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে বসবো। দুটো দলের জন্য প্র্যাকটিস ম্যাচ ও ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করবো। আমাদের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে অ্যাফোর্ট দিতে হবে। জাপান ফুটবল ফেডারেশনের কাছে আজ আমি আবার মেইল করেছি। আমরা সিনিয়র জুনিয়র দুই দলকে নিয়ে একসঙ্গে ক্যাম্প করতে চাচ্ছি।’

খেলোয়াড়দের খাবার নিয়ে নানান সময়ে নেতিবাচক কথা শোনা যায়। মান নিয়েও থাকে প্রশ্ন। এ নিয়ে কিরণ সরাসরি বলেছেন, ‘পুষ্টিহীনতার কথায় আমি একমত হবো না। বাফুফের ডরমেটরিতে যে খাবার দেওয়া হয়, সেটি পুষ্টিবিদ দিয়ে ডায়েট চার্ট করা। অনেকেই বলেন যে আমরা এখানে পাঙাশ মাছ খাওয়াই। আমরা একদিনও পাঙাশ মাছ খাওয়াই না। বেশিরভাগ সময় রুই মাছ থাকে। থাকে মুরগি, গরু, খাসি ও ডিম। ইলিশ ও পাবদা খেতে চাইলে দেওয়া হয়। প্রতিদিন তো এমন খাবারই দেওয়া হয়। কেন মিথ্যা নিউজ করা হয়। মেয়েরা যদি ঠিকমতো খেতেই না পারে তাহলে তো শক্তি থাকবে না। ৯০ মিনিট খেলতেই পারবে না। ওরা তো ৯০ মিনিট একই ছন্দে খেলে। না খেয়ে খেলে? পাঙাশ মাছ খেয়ে খেলে? না, তাদের পুষ্টি আমরা নিশ্চিত করি। ছোটবেলা থেকে তাদের যে সমস্যা ছিল, সেটা তো আমরা কাটাতে পারবো না।’

লাওসের হোটেলে নাকি মেয়েরা ঠিকমতো খেতে পারছে না। এমন জানিয়ে কিরণ বলেছেন, ‘একেকটা দেশের খাবার একেক রকম। লাওসের খাবার তো মেয়েরা খেতে পারে না। বাঙালি খাবার খেতে না পারার কারণে তারা দুর্বল হয়ে পড়ছিল। এ জন্য আমি বাঙালি রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার খাওয়ানোর কথা বলেছিলাম। পিটারের তো সিদ্ধ খাবার ভালো লাগবেই। এটা নিয়ে দ্বিধায় থাকার কিছু নেই।’

/টিএ/এফআইআর/এমওএফ/
সম্পর্কিত
‘অলিম্পিক’ গোল করে ম্যাচসেরা ঋতুপর্ণা যা বললেন
নেপালকে হারিয়ে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ 
ঋতুপর্ণার অলিম্পিক গোল, সমতায় ফিরে প্রথমার্ধ শেষ বাংলাদেশের
সর্বশেষ খবর
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম