লা লিগা শিরোপা ধরে রাখার মিশন ৩-০ গোলের জয় দিয়ে শুরু করেছে বার্সেলোনা। মায়োর্কার মাঠে তারা দারুণ জয় পেয়েছে। কিন্তু প্রতিপক্ষ ৯ জন হওয়ার পর আরও গোল করতে না পারা এবং ফুটবলারদের প্রচেষ্টা কমিয়ে দেওয়ায় সন্তুষ্ট নন কোচ হ্যান্সি ফ্লিক।
রাফিনহা ও ফেরান তোরেসের লক্ষ্যভেদী শটে আধঘণ্টারও আগে দুই গোলে এগিয়ে যায় বার্সা। তারপর ৩৩ ও ৩৯ মিনিটে মানু মোরলেন্স ও ভেদাত মুরিকি লাল কার্ড দেখলে মায়োর্কা বড় ব্যবধানে হারের শঙ্কায় পড়েছিল। কিন্তু কাতালানরা বাকি সময়ে আর একটি গোল করে। শেষ অর্ধের ইনজুরি টাইমের চতুর্থ মিনিটে লামিনে ইয়ামাল জাল কাঁপান।
ফ্লিক ম্যাচ শেষে হতাশা প্রকাশ করেছেন, ‘আমার ম্যাচ ভালো লাগেনি। এটা গুরুত্বপূর্ণ তিনটি পয়েন্ট, কিন্তু এটা আমি পছন্দ করিনি। ২-০ তে এগিয়ে যাওয়া ও (মায়োর্কা) দুটি লাল কার্ড দেখার পর আমি মনে করি দল ৫০ শতাংশ দিয়ে খেলেছে, এটা আমার ভালো লাগেনি। আমরা আরও ভালো কিছু করতে পারি।’
খেলোয়াড়রা এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতায় ঢিল দেওয়ায় অসন্তুষ্ট জার্মান কোচ, ‘আমি তাদের সঙ্গে কথা বলবো। তাদের আয়েশি ভাব আমার খারাপ লেগেছে। আমাদের বল ও খেলা নিয়ন্ত্রণ করে আরও গোল করতে হতো। ৯ জনের বিপক্ষে ৫০ কিংবা ৬০ শতাংশ দিয়ে খেলা অসম্ভব। আমাদের আরও গতিময় খেলতে হতো। কিছু কিছু জায়গায় আমাদের উন্নতি করতে হবে।’
ইয়ামালের ক্রসে সপ্তম মিনিটে রাফিনহার হেডে বার্সা লিড নেয়। তবে ২৩ মিনিটে বার্সার দ্বিতীয় গোল নিয়ে বিতর্ক ছিল। মাথায় বলের আঘাত নিয়ে পড়ে যান মায়োর্কা ডিফেন্ডার আন্তোনিও রাইলো। স্বাগতিক খেলোয়াড়রা খেলা থামালেও রেফারি খেলা থামানোর বাঁশি বাজাননি, তোরেস চমৎকার ফিনিশিং করেন। পরে মায়োর্কা রেফারিকে প্রতিবাদ জানালেও তাতে সাড়া দেননি।
ফ্লিক জানালেন, রেফারি বাঁশি না বাজানো পর্যন্ত খেলোয়াড়দের খেলে যেতে পরামর্শ দেন তিনি। এই কোচ বললেন, ‘আমি দলকে বলি রেফারি ম্যাচ না থামানো পর্যন্ত আমাদের খেলতে হবে। এটা রেফারির সিদ্ধান্ত এবং আমাদের সেটা মেনে নিতে হবে। আমি যদি অন্য দলে থাকতাম, আমিও খুশি হতাম না। কিন্তু আমি তাদের বলেছি রেফারি থামতে বললেই থামবে। তাদের মনোযোগ ধরে রাখতে হবে এবং শেষ পর্যন্ত খেলে যেতে হবে। এটা গোল ছিল।’









