বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ ‘এফ’-এ তিউনিসিয়ার বিপক্ষে দাপটের সঙ্গে শুরু করেছে সুইডেন। সোমবার (১৫ জুন) বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টায় গুয়াদালুপের এস্ত্রাদিও বিবিভিএ স্টেডিয়ামে শুরু হওয়া ম্যাচে ২-০ গোলে এগিয়ে রয়েছে ইউরোপের দলটি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে সুইডেন। এরই ধারাবাহিকতায় সপ্তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক শটে দলকে এগিয়ে দেন তরুণ মিডফিল্ডার ইয়াসিন আয়ারি। ২২ বছর বয়সী এই ফুটবলারের অসাধারণ গোলে শুরুতেই লিড পেয়ে যায় সুইডেন।
প্রথম গোলের পরও আক্রমণের ধার কমায়নি গ্রাহাম পটারের শিষ্যরা। ম্যাচের ৩০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আলেক্সান্দার ইসাক। সতীর্থদের তৈরি করা সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করে তিউনিসিয়ার ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দেন নিউক্যাসল ইউনাইটেডের এই তারকা ফরোয়ার্ড।
প্রথমার্ধে বলের দখল ও আক্রমণ—দুই ক্ষেত্রেই এগিয়ে ছিল সুইডেন। অন্যদিকে বাছাইপর্বে দুর্দান্ত রক্ষণাত্মক পারফরম্যান্স দেখিয়ে বিশ্বকাপে আসা তিউনিসিয়া এদিন সুইডিশ আক্রমণের সামনে বেশ নড়বড়ে দেখা গেছে।
অবশ্য ম্যাচের আগে থেকেই সুইডেনকে কিছুটা এগিয়ে রাখা হচ্ছিল। বিশ্বকাপে এটি তাদের ১৩তম অংশগ্রহণ। ১৯৫৮ সালে রানার্স-আপ হওয়া দলটি ১৯৯০ সালের পর নিজেদের শেষ চারটি বিশ্বকাপ অংশগ্রহণেই গ্রুপ পর্ব পেরিয়েছে। কোচ গ্রাহাম পটারের অধীনে আক্রমণভাগে ভিক্টর গিওকারেস ও আলেক্সান্দার ইসাককে ঘিরে নতুন স্বপ্ন দেখছে স্ক্যান্ডিনেভিয়ানরা।
অন্যদিকে সপ্তমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে আসা তিউনিসিয়া এখনো কখনো গ্রুপ পর্বের বাধা পেরোতে পারেনি। আফ্রিকান বাছাইপর্বে প্রায় নিখুঁত পারফরম্যান্স দেখালেও মূল আসরে নিজেদের সেরা ছন্দ খুঁজে পাওয়ার চ্যালেঞ্জে রয়েছে তারা।
প্রথমার্ধ শেষে সুইডেন ২-০ গোলে এগিয়ে থাকলেও ম্যাচের ফল এখনো নির্ধারিত হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়াতে হলে তিউনিসিয়াকে আক্রমণে আরও কার্যকর হতে হবে, আর সুইডেন চাইবে এই লিড ধরে রেখে বিশ্বকাপ অভিযান জয় দিয়ে শুরু করতে।









