টরন্টোর বিএমও ফিল্ডে এক নিষ্ঠুর সমাপ্তি দেখলো আইভরি কোস্ট। পুরো ম্যাচে দুর্দান্ত লড়াই করে, একটি পয়েন্ট অন্তত নিশ্চিত মনে হলেও, একেবারে শেষ মুহূর্তে আবারও আঘাত হানলেন ডেনিজ উন্দাভ। আর জার্মানি নিশ্চিত করলো নকআউট পর্বের টিকিট।
প্রথমার্ধ: কাউন্টারে কেসির গোল, ভিএআরের নাটক
ম্যাচের শুরু থেকেই জার্মানির আধিপত্য স্পষ্ট ছিল। ২৩ মিনিটে পাভলোভিচের হেডার ভিএআরে বাতিল হয় গোলরক্ষক ফোফানার ওপর ফাউলের কারণে। কিন্তু ৩০ মিনিটে আসে আসল চমক, দিওমান্দের নিচু ক্রস থেকে প্রথমে আমাদ দিয়ালোর শট ঠেকান নয়ার, কিন্তু রিবাউন্ডে সবার আগে পৌঁছে জালে বল পাঠান অধিনায়ক ফ্র্যাঙ্ক কেসি। কাউন্টার অ্যাটাকের নিখুঁত প্রদর্শনী।
বিরতিতে এগিয়ে আইভরি কোস্ট, যদিও জার্মানির বল দখল ছিল ৬২ শতাংশ।
দ্বিতীয়ার্ধ: উন্দাভের প্রথম গোল, তারপর নাটকীয় সমাপ্তি
৬০ মিনিটে নাগেলসমান একসঙ্গে তিন বদলি আনেন— সানে, মুসিয়ালা ও পাভলোভিচের জায়গায় লেভেলিং, উন্দাভ ও আমিরি। সেই পরিবর্তনের ফল আসে দ্রুতই— ৬৮ মিনিটে উন্দাভের গোলে সমতায় ফেরে জার্মানি।
এরপর ম্যাচের শেষ দিকে জার্মানি একটি প্রায়-নিশ্চিত গোলের সুযোগ পায়, কিন্তু গোলরক্ষক ফোফানা অবিশ্বাস্য এক সেভে বাঁচান দলকে। আইভরি কোস্ট তখন এক পয়েন্টের স্বপ্নে বিভোর। কিন্তু ফুটবল কখনও কখনও নিষ্ঠুর হয়। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে, ইনজুরি টাইমে, আবারও জালে বল জড়ান উন্দাভ। তার জোড়া গোলেই জয় ছিনিয়ে নেয় জার্মানি।
এই জয়ে জার্মানি ছয় পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘ই’-র শীর্ষস্থান আরও মজবুত করলো এবং নকআউট পর্ব নিশ্চিত করলো। আর আইভরি কোস্ট, যারা একটুর জন্য পয়েন্ট হাতছাড়া করলো। এখনও তিন পয়েন্ট নিয়ে ভালো অবস্থানে আছে, তবে শেষ ম্যাচে কুরাসাওয়ের বিপক্ষে নিজেদের ভাগ্য নিজেদের হাতেই রাখতে হবে তাদের।
উন্দাভ— যিনি কুরাসাও ম্যাচেও বদলি নেমে গোল ও দুই অ্যাসিস্ট করেছিলেন। আজও প্রমাণ করলেন, তিনি জার্মানির সবচেয়ে কার্যকর ‘সুপার সাব’।









